Advertisement

HS Marks Improvement: উচ্চমাধ্যমিকে কম নম্বর উঠেছে? ফের পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাচ্ছেন ছাত্র-ছাত্রীরা

এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে (HS) সেমিস্টারে পরীক্ষা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যে সকল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ অর্থ A প্লাস-প্লাস এই গ্রেড পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩৪ জন। শতাংশের বিচারে তা ০.০১ শতাংশ। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, চাইলে আরও একবার দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে ছাত্রছাত্রীরা ৷ এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ৷

 পাশ করেও ফের দেওয়া যাব HS পরীক্ষা পাশ করেও ফের দেওয়া যাব HS পরীক্ষা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 14 May 2026,
  • अपडेटेड 3:35 PM IST

প্রকাশিত হয়েছে  উচ্চমাধ্যমিকের ফল। এবারের উচ্চমাধ্যমিকে পাসের হার ৯১.২৩%। পাসের হারে ছেলেদের টেক্কা দিয়েছে মেয়েরা। উচ্চ মাধ্যমিকে মেয়েদের পাসের হার ৯২.৪৭%।  বেলা ১১টা থেকে পরীক্ষার্থীরা সংসদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট wbchse.wb.gov.in, result.wb.gov.in এবং result.digilocker.gov.in-সহ অন্যান্য পোর্টালের মাধ্যমে তাঁদের ফলাফল জানতে ও ডাউনলোড করতে পারছেন। এ বছর মোট ৭.১০ লক্ষ পরীক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিকে বসেছিলেন এবং পরীক্ষা শেষ হওয়ার মাত্র ৭৬ দিনের মাথায় এই ফল প্রকাশ করা হল।

এই প্রথম উচ্চ-মাধ্যমিকে (HS) সেমিস্টারে পরীক্ষা হয়েছে। দেখা যাচ্ছে, যে সকল পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ অর্থ A প্লাস-প্লাস এই গ্রেড পেয়েছেন ৬ হাজার ১৩৪ জন। শতাংশের বিচারে তা ০.০১ শতাংশ। এদিকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর, চাইলে আরও একবার দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ পাবে ছাত্রছাত্রীরা ৷ এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ ৷

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার ফলপ্রকাশ করে একটি নতুন পদ্ধতি চালুর ঘোষণা করেন। এর মাধ্যমে নম্বর ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ পাবেন উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীরা। এ প্রসঙ্গে সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার বলেছেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিকের নতুন পদ্ধতিতে তৃতীয় ও চতুর্থ সেমেস্টার মিলিয়ে রেজ়াল্ট পেলেন পরীক্ষার্থীরা। কেউ হয়তো পাশ করেছেন, কিন্তু যে নম্বর পেয়েছেন, তাতে খুশি হতে পারেননি। তিনি আরও নম্বর বেশি পাওয়ার আশা রাখেন। সেই ইমপ্রুভমেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে ওই পরীক্ষার্থীকে এ বছরের মার্কশিট স্যারেন্ডার করতে হবে। পরের পরীক্ষা যখন হবে, তখন তিনি আবার বসতে পারবেন। নম্বর বাড়ানোর সুযোগ পাবেন।’

অর্থাৎ এ বছরের উচ্চমাধ্যমিকের ফল দেখে যদি কোনও পড়ুয়া  সন্তুষ্ট না হন, তাহলে তিনি ফের নম্বর বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। পশ্চিমবঙ্গ উচ্চ শিক্ষা সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার ফলপ্রকাশ করে এই নতুন পদ্ধতি চালুর ঘোষণা করেছেন। এর মাধ্যমে নম্বর ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ পাবেন উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীরা। পরিসংখ্যান ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে প্রতিটি স্কুলের জন্য।

Advertisement

উদাহরণ হিসেবে, ধরুন কোনও পরীক্ষার্থী ২০২৬ সালের পরীক্ষায় ৫০০ নম্বরের মধ্যে ৪০০ পেয়েছেন। কিন্তু তাতে তিনি খুশি নন। তিনি ৪৫০ নম্বর পাওয়ার আশা রেখেছিলেন। এ ক্ষেত্রে তিনি চাইলে পরের বছর ফের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। কিন্তু সে ক্ষেত্রে এ বছরের মার্কশিট তাঁকে জমা দিতে হবে। তবে নম্বর ভালো করার জন্য এক বছর অপেক্ষা কোনও পড়ুয়া করতে চাইবেন? এই প্রশ্ন উঠেছে। সে ক্ষেত্রে তার একটি বছর পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকবে। এ নিয়ে  সংসদের সভাপতি পার্থ কর্মকার বলেছেন, ‘এই বিষয়টি পুরোপুরি পরীক্ষার্থীর অবস্থার উপর নির্ভর করছে। তবে নতুন সুযোগ শুরু হলো। অনেক প্রস্তাবও এসেছে। আগামী দিনে তা নিয়ে আমরা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব। সেই মতো পদক্ষেপ করা হবে।’ পরের বছরের জন্য অপেক্ষা না করে রিভিউ এবং স্ক্রুটিনির জন্যও আবেদন করতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা। সাধারণ এবং তৎকাল— দুই পদ্ধতিতেই আবেদন করা যাবে। ১৭ মে রাত ১২টা পর্যন্ত তৎকাল পিপিএস এবং পিপিআর-এর জন্য আবেদন করা যাবে। ২৮ মে রাত ১২টা পর্যন্ত সাধারণ পিপিএস এবং পিপিআর-এর জন্য আবেদন করা যাবে। এর জন্য আবেদন ফি অনলাইনেও জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে পরীক্ষার্থীদের কাছে।  

Read more!
Advertisement
Advertisement