
ইতিমধ্যেই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রাজ্যের স্কুলগুলিতে গরমের ছুটির মেয়াদ। এরই মধ্যে জানানো হয়েছে, স্কুল খুললেই সর্বত্র সকালের প্রার্থনায় বন্দে মাতরম গান গাওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে।
প্রতিটি জেলার প্রধান শিক্ষকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছুটির পরে স্কুল খুললেই প্রার্থনাসভায় জাতীয় সঙ্গীতের সঙ্গে বন্দে মাতরম গাইতে হবে। বর্তমানে সরকারি নির্দেশিকার ফলে প্রাথমিক ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদে কোনও স্থায়ী সভাপতি নেই। দুই পর্ষদেই এখন অস্থায়ী ভাবে সরকারি আধিকারিকরা এই দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রায় অধিকাংশ স্কুলেই সকালের প্রার্থনা সভায় জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ ও রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গাওয়া হয়। এবার সংযোজিত হবে বন্দে মাতরমও। স্কুল খুললে ক্লাসে বন্দেমাতরম গানের প্রথম ৬টি স্তবকের প্রিন্ট পড়ুয়াদের দিয়ে দেওয়া হবে। গানটি গাওয়া হয়েছে কি না, তা-ও স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে দফতরে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে বন্দে মাতরম নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নেয় অমিত শাহের মন্ত্রক। এক নির্দেশিকায় বলা হয়, এবার থেকে বন্দে মাতরমের ৬টি স্তবকই গাইতে হবে। ‘বন্দে মাতরম’ গান গাওয়া বা বাজানোর সময় শ্রোতাদের উঠে দাঁড়াতে হবে। একইসঙ্গে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’ এবং জাতীয় সংগীত ‘জনগণমন’ একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তাহলে প্রথমে ‘বন্দে মাতরম’ বাজানো হবে। কয়েকদিন আগে আবার নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা একটি প্রস্তাবে অনুমোদন করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, জনগণমনর সমমর্যাদা দেওয়া হবে বন্দে মাতরমকে।