Advertisement

Job News WB: বিশ্বভারতীতে চাকরি, ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড! কারা আবেদন করতে পারবেন?

 চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। বিশ্বভারতীতে তিনটি পদে নিয়োগ। মাসে ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড। চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ। ‘অ্যাসপিরেশনাল ব্লক প্রোগ্রাম’-এর অধীনে কাজ।

মাসে ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড। মাসে ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 20 Sep 2026,
  • अपडेटेड 2:15 PM IST
  • চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ।
  • বিশ্বভারতীতে তিনটি পদে নিয়োগ।
  • মাসে ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড।

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় সুযোগ। বিশ্বভারতীতে তিনটি পদে নিয়োগ। মাসে ৫০ হাজার টাকা স্টাইপেন্ড। চুক্তির ভিত্তিতে নিয়োগ। ‘অ্যাসপিরেশনাল ব্লক প্রোগ্রাম’-এর অধীনে কাজ। বিশ্বভারতীর পল্লি সংগঠন বিভাগ এবং বীরভূম জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বীরভূমের নানুর, খয়রাশোল এবং ময়ূরেশ্বর-১ ব্লকের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন। স্থানীয় স্তরে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ কতটা এগোচ্ছে, তা দেখার দায়িত্বও থাকবে। পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের প্রয়োজন বুঝে উন্নয়নের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রশাসনকে সাহায্য করতে হবে।

মাসে ৫০ হাজার টাকা 
এই পদে প্রাথমিক ভাবে এক বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হবে। কাজের প্রয়োজন এবং পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে চুক্তির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়তে পারে।

নির্বাচিত প্রত্যেক প্রার্থী প্রতি মাসে ৫০,০০০ টাকা স্টাইপেন্ড পাবেন। অর্থাৎ এক বছরে মোট স্টাইপেন্ডের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬ লক্ষ টাকা।

তিনটি আলাদা ব্লকের জন্য তিন জন ফেলো নিয়োগ করা হবে। ফলে মোট শূন্যপদ রয়েছে তিনটি।

কারা আবেদন করতে পারবেন?
ভারতের নাগরিক হতে হবে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দাও হতে হবে।
১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের হিসাবে প্রার্থীর বয়স হতে হবে ২৩ থেকে ৩৮ বছরের মধ্যে। নির্দিষ্ট কয়েকটি শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় রয়েছে। এসসি, এসটি, ওবিসি, বিশেষ ভাবে সক্ষম এবং মহিলা প্রার্থীরা বয়সসীমায় পাঁচ বছর পর্যন্ত ছাড় পাবেন।

শিক্ষাগত যোগ্যতা
স্বীকৃত কোনও বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সোশ্যাল সায়েন্সে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে।

তবে শুধু ডিগ্রি থাকলেই হবে না। ডেটা নিয়ে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সম্পর্কে ধারণা প্রয়োজন। সমাজমাধ্যম ব্যবহারে দক্ষতা এবং ভাল যোগাযোগের ক্ষমতাও চাওয়া হয়েছে।

যে ব্লকে কাজ করবেন, সেই এলাকার স্থানীয় ভাষা জানা বাধ্যতামূলক। উন্নয়নমূলক কোনও সংস্থা বা প্রকল্পে আগে কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার মিলতে পারে।

কী কাজ করতে হবে?
শুধু অফিসে বসে নথিপত্র দেখা নয়। ফিল্ড ভিজিট করতে হবে। এলাকার উন্নয়নমূলক কাজের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে। কোথায় সমস্যা রয়েছে, তা চিহ্নিত করতে হবে।
বিশ্বভারতীর ‘ডিপার্টমেন্ট অফ লাইফলং লার্নিং অ্যান্ড এক্সটেনশন’-এর তত্ত্বাবধানে কাজ করবেন তাঁরা। বিশ্বভারতীর গ্রামীণ পুনর্গঠন বিভাগের সহযোগিতাও থাকবে।

Advertisement

ফেলোরা সংশ্লিষ্ট বিডিও-র অধীনে কাজ করবেন। নীতি আয়োগের নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্লকের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করাই তাঁদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

অর্থাৎ সরকারি প্রকল্পের বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা থেকে শুরু করে তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রশাসনের সঙ্গে কো-অর্ডিনেশন-সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করতে হবে।

কীভাবে নিয়োগ?
প্রার্থী বাছাই হবে মোট ১০০ নম্বরের মূল্যায়নের ভিত্তিতে। এর মধ্যে ৮০ নম্বর রাখা হয়েছে লিখিত পরীক্ষা, পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজ়েন্টেশন, ডেটা অ্যানালিসিস এবং কম্পিউটার দক্ষতার জন্য।

বাকি ২০ নম্বর থাকবে ইন্টারভিউয়ের জন্য। সমস্ত ধাপ মিলিয়ে প্রার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। তার পর মেধাতালিকা তৈরি করে নিয়োগ করা হবে।

কীভাবে আবেদন করবেন?
আবেদন করতে হবে অনলাইনে। প্রথমে বিশ্বভারতীর সরকারি ওয়েবসাইটে যেতে হবে। সেখানে ‘হোমপেজ’ থেকে সংশ্লিষ্ট নিয়োগের নোটিফিকেশন পেয়ে যাবেন।

ফর্ম ফিলআপ করুন। সঙ্গে প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিতে হবে।

আবেদনের শেষ দিন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬। বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, রিজার্ভেশন, নথিপত্র এবং নিয়োগের অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য বিশ্বভারতীর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া রয়েছে। আবেদন করার আগে সেই বিজ্ঞপ্তি ভাল করে পড়ে নিন।

Read more!
Advertisement
Advertisement