Advertisement

West Bengal Government Recruitment: রাজ্যে ৫৪টি দফতরে দেড় লাখের বেশি VACANCY, অক্টোবরেই নিয়োগ শুরু, কোথায় কত লোক নেওয়া হবে?

রাজ্য পুলিশে বড় নিয়োগ হবে, আগে বহুবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দমকলের নিয়োগ নিয়েও বড় ঘোষণা করেন শুভেন্দু। জানিয়ে দেন পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে ১৪০০ পদ পূরণ করা হবে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, 'আগামী এক বছরের মধ্যে আরও আড়াই হাজার স্থায়ী পোস্ট সৃষ্টি করে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে আমরা নিয়োগের কাজ করব।' এর এদিনই রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদ পূরণে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 দফতরভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা ১৫ হাজার পর্যন্ত দফতরভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা ১৫ হাজার পর্যন্ত
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Sep 2026,
  • अपडेटेड 9:39 AM IST

রাজ্য পুলিশে বড় নিয়োগ হবে, আগে বহুবার বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার দমকলের নিয়োগ নিয়েও বড় ঘোষণা করেন শুভেন্দু। জানিয়ে দেন পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে ১৪০০ পদ পূরণ করা হবে। পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, 'আগামী এক বছরের মধ্যে আরও আড়াই হাজার স্থায়ী পোস্ট সৃষ্টি করে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে আমরা নিয়োগের কাজ করব।' এর এদিনই  রাজ্যের সরকারি দফতরগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদ পূরণে  বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন দফতরে মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

নতুন নিয়োগে ছাড়পত্র রাজ্য মন্ত্রিসভার
চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরে এক লক্ষের ওপর কর্মী নিয়োগ করবে। বুধবার নবান্নে আয়োজিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এমনই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্ন সূত্রের খবর, অক্টোবর থেকে আগামী মার্চের মধ্যে ধাপে ধাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা পুলিশ, রাজ্য পুলিশ এবং স্কুলশিক্ষা দফতরের নিয়োগও রয়েছে। এর মধ্যে কলকাতা পুলিশ ও রাজ্য পুলিশ মিলিয়ে ১৬  হাজার পদে নিয়োগ হবে। রাজ্য পুলিশে ১২ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার শূন্যপদ পূরণ করা হবে।

 ৫৪টি দফতরের মাধ্যমে নিয়োগ
রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে জানানো হয়েছে, রাজ্য সরকারের ৫৪টি দফতরের মাধ্যমে মোট এক লক্ষ ৫১ হাজার কর্মী নিয়োগ হবে।  নবান্ন সূত্রের খবর, অক্টোবরে পুজোর পর থেকে শুরু করে আগামী মার্চের মধ্যে ধাপে ধাপে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
দফতরভিত্তিক নিয়োগের সংখ্যা সাত হাজার থেকে ১৫ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। চলতি অর্থবর্ষের শেষ পাঁচ মাসে সরকারি চাকরিতে নিয়োগের গতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির শূন্যপদ এবং প্রয়োজনের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোনোর কথা।

কোথায় কত নিয়োগ?
পুলিশ বাহিনীতে বড় সংখ্যায় নিয়োগের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। কলকাতা পুলিশে চার হাজার এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ১২ হাজার কর্মী নিয়োগ করা হবে। স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনেও শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে ৩৪ হাজার নিয়োগের কথা বুধবারের বৈঠকে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর পাশাপাশি রাজ্যের দমকল ও জরুরি পরিষেবা দফতরকে আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা করা হয়েছে। পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের মাধ্যমে দমকলের ১,৪০০টি শূন্যপদ পূরণ করা হবে। এর মধ্যে ১,০০০ জন ফায়ার অপারেটর, ৩২৫ জন ফায়ার ইঞ্জিন অপারেটর-কাম-ড্রাইভার এবং ৭৫ জন সাব-অফিসার নিয়োগ করা হবে। এছাড়াও আগামী এক বছরের মধ্যে দমকল দফতরে আরও ২,৫০০টি স্থায়ী পদ তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে নিয়োগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নবান্ন সূত্রের খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে রাজ্য সরকারের ৫৩টি দফতরে কমবেশি ৫ হাজারের মতো শূন্যপদ রয়েছে। সেগুলি পূরণে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে ১৫ বছর ধরে কর্মসংস্থান হয়নি। ফলে বিভিন্ন দফতরে প্রচুর শূন্য পদ পড়ে রয়েছে। যুব সম্প্রদায়ের একটা বড় অংশ আশা করছে, এই সরকার তাদের কর্মসংস্থানের জন্য কাজ করবে। আর সেই জায়গা থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে সরকার।  এখন বিভিন্ন দফতর ধরলে মোট ১ লক্ষ ৫৩ হাজার মতো কর্মসংস্থান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সরকার চাইছে প্রথম দফায় প্রায় ১ লক্ষের বেশি নিয়োগ সেরে ফেলতে। গোটা প্রক্রিয়া যাতে স্বচ্ছভাবে হয়, সেজন্য এসএসসি এবং পিএসসির মাধ্যমেই নিয়োগ হবে বলে জানা যাচ্ছে।

প্রশাসনিক সূত্রে খবর, বিভিন্ন দফতরে দীর্ঘদিন ধরে কর্মী ঘাটতি রয়েছে। একাধিক ক্ষেত্রে প্রয়োজনের তুলনায় কম কর্মী থাকায় প্রশাসনিক কাজের চাপ বাড়ছে। সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কোন কোন শূন্যপদ দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করার কাজ আগেই শুরু হয়েছিল। সরকারি দফতগুলিতে থাকা সমস্ত শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণের পরিবর্তে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নীতি নেওয়া হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে আগামী এক বছরের মধ্যে পূরণ করা প্রয়োজন এমন পদ চিহ্নিত করে বিস্তারিত তথ্য পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ার পরই বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। চলতি অর্থবর্ষ শেষ হওয়ার আগেই অর্থাৎ আগামী মার্চের মধ্যে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement