
প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিকের ফল। ৭৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ করল পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE)। ১৫টি ভাষা, ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় সহ ৬৬ বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছিল এবার। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি এবং সাঁওতালি ভাষায় পরীক্ষা দিয়েছিলেন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। সংসদ জানিয়েছে, মোট পাশ করেছেন ৫,৭১,৩৫৫ জন। পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। ছেলেদের পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ। মেয়েদের পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ।
পাশের হারে এগিয়ে পূর্ব মেদিনীপুর। এই জেলায় পাশের হার ৯৪.১৯ শতাংশ। এর পর রয়েছে হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, কলকাতা, পুরুলিয়া, দার্জিলিং। মোট ৬৪ জন প্রথম দশের তালিকায় রয়েছেন। ছাত্রীরা পাশ করেছে মোট ৩,২০,২৩০ জন। ২ লাখ ৫১ হাজার ১২৫ জন ছাত্র পাশ করেছে।
প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন ৬৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে প্রথম দশে রয়েছেন ১৯ জন। পুরুলিয়া থেকে প্রথম দশে ১৭ জন। কলকাতা থেকে প্রথম দশে ৪ জন। উচ্চ মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন আদৃত পাল, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র আদৃত, পেয়েছেন গ্রেড A++ , নম্বর পেয়েছেন ৯৯.২ শতাংশ। সেমেস্টার পদ্ধতিতে প্রথমবার এই পরীক্ষা হওয়ায় ফলাফল নিয়েও ছিল বাড়তি আগ্রহ।
এ বছর থেকেই প্রথম বার সেমেস্টার পদ্ধতিতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় । দেশের মধ্যে এই প্রথম কোনও রাজ্যে সেমেস্টার পদ্ধতিতে দ্বাদশের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। যা গোটা দেশের কাছে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মত সংসদের। চলতি বছরে ভোটের কারণে মাধ্যমিকের মতো উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাও এগিয়ে আনা হয়। পরীক্ষা শুরু হয় ১২ ফেব্রুয়ারি। শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। এ বার পরীক্ষা শেষের দু'মাস ১৬ দিনের মাথায় ফল ঘোষণা করল সংসদ। মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১। এর মধ্যে চতুর্থ সেমেস্টারের পরীক্ষা দিয়েছিলেন ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৬৪ জন। দ্বিতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দেন ৫৯ হাজার ৪৫২ জন। অন্য দিকে, পুরনো নিয়মে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৪৯৫। পরীক্ষা গ্রহণ করা হয় ২১০৩ টি পরীক্ষা কেন্দ্রে।