
বৃহস্পতিবার এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হবে। উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হচ্ছে বৃহস্পতিবার। সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকার সকাল সাড়ে ১০টায় ফল ঘোষণা করবেন। বেলা ১১টায় বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল জানতে পারবে। কখন-কোথায় দেখবেন রেজাল্ট?
পরীক্ষার্থীরা রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই একাধিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রেজাল্ট দেখতে পারবেন। এদিনই স্কুল থেকে পাওয়া যাবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকারা ৫৬টি ডিস্ট্রিবিউশন কেন্দ্র থেকে রেজাল্ট তুলবেন। ফল প্রকাশ হলেই ২০ মে অভিন্ন পোর্টালের মাধ্যমে স্নাতকে ভর্তি পর্ব শুরু হবে। এই পোর্টাল চালুর বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতি নেওয়া হবে।
উচ্চমাধ্যমিকে চতুর্থ হয়েছেন অরিত্র কুমার চক্রবর্তী, গোলাম ফৈয়জল, অর্কদ্যুতি ধর এবং চন্দ্রচূড় সেন। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৩।
প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছেন ৬৪ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে প্রথম দশে ১৯ জন। পুরিলিয়া থেকে প্রথম দশে ১৭ জন। কলকাতা থেকে প্রথম দশে ৪ জন।
প্রথম দশে রয়েছে ৬৪ জন পরীক্ষার্থী। তার মধ্যে পুরুষ ৫৬ এবং মহিলা ৮। প্রথম দশে রয়েছে কলকাতার ৪ জন।
রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ পুরুলিয়ার দেবপ্রিয় মাঝি, নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের সৌম রায়, শুভায়ন মণ্ডল এবং রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠের প্রীতম বল্লভ। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৪ অর্থাৎ ৯৮.৮ শতাংশ।
দ্বিতীয় স্থানাধিকারী রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যাপীঠ পুরুলিয়ার জিষ্ণু কুণ্ডু এবং নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ঋতব্রত নাথ ও ওই স্কুলেরই ঐতিহ্য পাঁচাল। তিন জনেরই প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৫ অর্থাৎ ৯৯ শতাংশ।
উচ্চমাধ্যমিকে এবার প্রথম হয়েছেন আদৃত পাল। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৯৬। প্রথম স্থানাধিকারের প্রাপ্ত গ্রেড A++। অর্থাৎ তিনি ৯৯.২ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন। আদৃত নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র।
চতুর্থ সেমিস্টারে মোট পরীক্ষার্থী আবেদন করেছিলেন ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৩১ জন। পরীক্ষা দেন ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ২৫৮। পাশ করেছেন ৫ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৫৫ জন।
এবারের উচ্চমাধ্যমিকে পাশের হার ৯১.২৩ শতাংশ। পুরুষ পরীক্ষার্থীর পাশের হার ৮৯.৭১ শতাংশ এবং মহিলা পরীক্ষার্থীর পাশের হার ৯২.৪৭ শতাংশ।
পরিসংখ্যান ভিত্তিক ফলাফল বিশ্লেষণ করা হবে প্রতিটি স্কুলের জন্য। চতুর্থ সেমেস্টারে কোনও পড়ুয়া আরও ভাল ফল করতে চাইলে ফের পরীক্ষার ব্যবস্থা।
এবারের মার্কশিটে প্রতি পরীক্ষার্থীর ছবি, কিউআর কোড থাকছে। বিষয় ভিত্তিক নম্বর, পার্সেন্টাইল, গ্রেড এবং বেস্ট অফ ফাইভ নম্বরও দেওয়া থাকছে। পাশাপাশি স্কুলভিত্তিক বিশ্লেষণও সংসদের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে। কতজন পরীক্ষার্থী একটি স্কুল থেকে পরীক্ষা দিয়েছে, কত জন তার মধ্যে ৯০ শতাংশ, কত জন ৭৫ থেকে ৯০ শতাংশ, কত জন ৫০-৭৫ শতাংশ এবং কত জন ৫০ শতাংশের নীচে, তা পাইচার্ট আকারে পোর্টালে প্রকাশ করেছে সংসদ
পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE) আনুষ্ঠানিকভাবে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ করছে। পরীক্ষার ৭৬ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হচ্ছে।
৭৬ দিনের মাথায় ফলপ্রকাশ হল উচ্চমাধ্যমিকের। ১৫টি ভাষা, ১৬টি বৃত্তিমূলক বিষয় সহ ৬৬ বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছিল এবার। বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি এবং সাঁওতালি ভাষায় পরীক্ষা দিয়েছেন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা।
সকাল ১১টা থেকেই মার্কশিট পাওয়া যাবে। এদিনই স্কুল থেকে পাওয়া যাবে মার্কশিট ও শংসাপত্র। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকারা ৫৬টি ডিস্ট্রিবিউশন কেন্দ্র থেকে রেজাল্ট তুলবেন। ফল প্রকাশ হলেই ২০ মে অভিন্ন পোর্টালের মাধ্যমে স্নাতকে ভর্তি পর্ব শুরু হবে।
সংসদ সভাপতি পার্থ কর্মকার এ বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলপ্রকাশ করছেন। এ বছর একসঙ্গে তিন ধরনের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। নয়া সিস্টেমে চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরোনো বার্ষিক পদ্ধতিতে।
এই বছর উচ্চমাধ্যমিকে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষাও নেওয়া হয়। আবার পুরনো বার্ষিক পদ্ধতিতেও এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। সবমিলিয়ে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় ৭ লক্ষ ১০ হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী।
এ বছর একসঙ্গে তিন ধরনের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা হয়েছিল। নয়া সিস্টেমে চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরোনো বার্ষিক পদ্ধতিতে। এ বছর উচ্চ মাধ্যমিকে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৮১১ জন। তার মধ্যে চূড়ান্ত সেমেস্টারে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৬ লক্ষ ৩৫ হাজার ৮৬৪ জন। দ্বিতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দিয়েছে ৫৯ হাজার ৪৫২ জন। আর পুরোনো নিয়মে পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ হাজার ৪৯৫ জন।
যে সব ওয়েবসাইটে ফলাফল জানা যাবে, তার মধ্যে রয়েছে–https://result.wb.gov.in, http://www.indiaresults.com, https://www.results.shiksha এবং https://results.marksbee.com। পরীক্ষার্থীরা রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিলেই ফল দেখতে পাবে।