
ডিজিটাল ইন্ডিয়ার এই যুগে প্রায় সবকিছুই অনলাইন হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থা কি করে পিছিয়ে থাকতে পারে? শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত অনলাইনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তাহলে মার্কশিট এবং সার্টিফিকেট ফাইলের বোঝা বয়ে বেড়ানোর কী দরকার? ছাত্রছাত্রীদের এই ঝামেলা থেকে বাঁচাতে সরকার APAAR ID চালু করেছে, যা শিক্ষার্থীদের ইউনিক ডিজিটাল পরিচয় প্রদান করে। এর মাধ্যমে পড়ুয়ার সমস্ত শিক্ষা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিরাপদে এক জায়গায় সংরক্ষণ করা যায়। APAAR ID সম্পর্কে আপনার মনে অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে। এটি আসলে কী, কীভাবে তৈরি করা হয় এবং এর সুবিধাগুলো কী কী? আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এখানে জেনে নিন।
APAAR ID আসলে কী?
প্রথমে, চলুন জেনে নিই APAAR ID কী। এটি একটি বিশেষ ডিজিটাল স্টুডেন্ট আইডি। 'One Nation, One Student ID' নামেও পরিচিত এই আইডিটি প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে একটি ইউনিক নম্বর প্রদান করে। এই আইডিতে একজন শিক্ষার্থীর শিক্ষাগত বিবরণ, যেমন মার্কশিট, ডিগ্রি, সার্টিফিকেট, স্কলারশিপ এবং অন্যান্য কৃতিত্ব সংরক্ষিত থাকে। সহজ কথায়, এটি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ডিজিটাল অ্যাকাডেমিক প্রোফাইল, যা তাদের সম্পূর্ণ শিক্ষাজীবনকে নথিভুক্ত করে।
APAAR ID কেন বিশেষ?
পূর্বে, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন ক্লাস ও প্রতিষ্ঠানের কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হতো। প্রায়শই মার্কশিট বা সার্টিফিকেট হারিয়ে গেলে তা সমস্যা হয়ে দাঁড়াত। APAAR ID এই সমস্যাটি সমাধান করতে পারে। ছাত্রছাত্রীরা তাদের সমস্ত রেকর্ড অনলাইনে সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহজেই তা দেখতে পারে।
APAAR ID-এর অনেক সুবিধা রয়েছে-
কীভাবে APAAR ID পাবেন?
APAAR ID পেতে খুব বেশি পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। শিক্ষার্থীরা তাদের স্কুল বা কলেজের সাহায্য নিতে পারে। তাদের কেবল নিজের আধার তথ্য এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্কুলে জমা দিতে হবে।
আপনি DigiLocker প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও APAAR ID তৈরি করতে পারেন। এই অ্যাপে সমস্ত নথি আপলোড করার পর ভেরিফিকেশন করা হয়। এরপর শিক্ষার্থীকে একটি ইউনিক APAAR ID প্রদান করা হয়। নিচে দেওয়া ধাপে ধাপে প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করুন।
APAAR ID তৈরি করার প্রক্রিয়া
APAAR ID তৈরি করা কি আবশ্যক?
এখন প্রশ্ন ওঠে, APAAR ID তৈরি করা কি আবশ্যক? উল্লেখ্য, APAAR আইডির উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের রেকর্ড ডিজিটাইজ করা। যদিও এপিএএআর আইডি না থাকার কারণে কোনও শিক্ষার্থীকে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা যায় না, তবে ভবিষ্যতে ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থায় এর ব্যবহার বাড়তে পারে।