
সারা পৃথিবীতেই বাড়ছে AI-এর ব্যবহার। বাদ নেই ভারতও। আমাদের দেশেও অহরহ ব্যবহার হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। যার ফলে আইটি সার্ভিস এবং চাকরির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার রয়েছে আশঙ্কা। যদিও এই বিষয়ে মাহিন্দ্রা গ্রুপের চেয়ারম্যান আনন্দ মাহিন্দ্রার মতামত আলাদা। তিনি এই ভয়কে অতিরঞ্জিত বলে মনে করছেন। তাঁর দাবি, এআই কোনওভাবেই আইটি সেক্টরকে ধ্বংস করে দেবে না। বরং বর্তমানে এই ক্ষেত্রটা যেভাবে কাজ করে, সেই ধারণাটা বদলে যাবে। সংস্থাগুলির কাজ করার ধরনে আসবে বদল।
নতুন কৌশল নিয়ে চলতে হবে
অনেকেই দাবি করছেন যে এআই আসার ফলে বদলে যাবে আইটি ইন্ড্রাস্ট্রির কাজ করার ধরন। সংস্থাগুলির অবস্থা খারাপ হবে। ছাঁটাই শুরু হবে। যদিও এই দাবি সম্পূর্ণ অমূলক বলে মনে করছেন আনন্দ মাহিন্দ্রা। তিনি মনে করছেন, এআই আইটি সার্ভিসের উপর প্রভাব ফেলবে ঠিকই। যার ফলে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে নিজেদের কাজ করার পদ্ধতি বদলাতে হবে। এমনকী পরিবর্তীত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। এছাড়া খরচা এবং আয়ের হিসেবেও বিরাট বদল আসার রয়েছে আশঙ্কা। যদিও তার অর্থ এটা নয়, আইটি সার্ভিস এবং আইটি-এর চাকরি উড়ে যাবে। তাই তিনি এটাকে বড় কোনও বিপদ বলে মনে করেন না।
এছাড়া তাঁর মতে, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে একটু বাড়িয়ে বলা হচ্ছে। বাস্তব পরিস্থিতি এতটাও ভয়ঙ্কর নয়।
আইটি সার্ভিসে বদল মানেই চাকরি যাওয়া নয়
আনন্দ মাহিন্দ্রা আরও বলেন, এআই-এর জন্য বদলে যাবে কাজ করার ধরন। এখন থেকে সংস্থারা আউটকাম বেসড মডেলের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চাইবে। এমন পরিস্থিতিতে দক্ষ দল অবশ্যই গুরুত্ব পাবে।
তাঁর মতে, এআই কোডিং এবং অটোমেশনে সাহায্য করবে। তবে এর মাধ্যমে পুরো সিস্টেমটা বদলে ফেলা সম্ভব নয়। ডেটা সিকিউরিটি, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং কমপ্লায়েন্সের মতো জায়গায় ডেটা সিকিউরিটি দারুণ কাজ করবে।
আইটি স্টক নিয়ে কী দাবি?
এআই সংস্থাগুলি দাবি করেছে যে আইটি কোম্পানিগুলি অনেক সময় নিয়ে কাজ করে। তাতে বেশি টাকা খরচ হয়। তার ফলেই আইটি স্টকগুলির অবস্থা হয় খারাপ। যদিও মাহিন্দ্রার মতো এই পরিস্থিতি থাকবে না। এআই-এর সঙ্গে যেই আইটি সংস্থা যত বেশি মানিয়ে নিতে পারবে, তাদের অবস্থা হবে তত ভাল হবে। তারা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাবে অনেকটাই।