Advertisement

২৬ শতাংশ ভোটার গায়েব! ফিরহাদের বন্দরে SIR নিয়ে চাপে তৃণমূল-বিজেপি

কলকাতা পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন এর পর এই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিজেপি-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 27 Apr 2026,
  • अपडेटेड 4:27 PM IST
  • কলকাতা পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
  • ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন এর পর এই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিজেপি-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

কলকাতা পোর্ট বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া নিয়ে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন এর পর এই কেন্দ্রের ভোটার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় বিজেপি-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দলই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিং জানিয়েছেন, বহু বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন যে তাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে গিয়েছে। তিনি এই পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন। একই সুর শোনা গিয়েছে সিপিএম প্রার্থী ফৈয়াজ আহমেদ খানের মুখেও। তাঁর কথায়, বিভিন্ন এলাকা থেকেই একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসছে।

এসআইআর প্রক্রিয়ার পর এই কেন্দ্রে ভোটার সংখ্যা ২০২১ সালের ২.৩৬ লক্ষ থেকে কমে প্রায় ১.৭৫ লক্ষে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ প্রায় ২৬ শতাংশ হ্রাস। এই বড়সড় পতন ঘিরে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা, বিশেষ করে এমন একটি আসনে, যেটিকে এতদিন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের ‘নিরাপদ কেন্দ্র’ হিসেবেই ধরা হত।

এই কেন্দ্রে তৃণমূল আবারও প্রার্থী করেছে তাদের প্রবীণ নেতা ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে, যিনি টানা দু’বার এই আসনে জয়ী হয়েছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন আকিব গুলজার। ফলে এখানে চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

দক্ষিণ কলকাতার এই বন্দর অঞ্চলটি বহুস্তরীয় সামাজিক গঠনের জন্য পরিচিত, ডক এলাকা, পুরনো বাণিজ্যকেন্দ্র, ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থান এই কেন্দ্রের বৈশিষ্ট্য। মুসলিম ভোটারদের একটি বড় অংশের পাশাপাশি ব্যবসায়ী, পরিবহন কর্মী ও নিম্নবিত্ত হিন্দু পরিবারগুলিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ভোটার সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দলগুলির কর্মীরা এখন বুথভিত্তিক তালিকা খতিয়ে দেখছেন, কারা বাদ পড়লেন, কোন এলাকায় তার প্রভাব বেশি, তা বোঝার চেষ্টা চলছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বৈধ ভোটারদের নাম অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তবে আত্মবিশ্বাসী শাসক দল। প্রচারে ফিরহাদ বলেছেন, 'এলাকার মানুষ জানেন কে তাঁদের পাশে থেকেছে। শেষ পর্যন্ত ফল নির্ভর করবে মানুষের বিশ্বাসের ওপর।'

Advertisement

এদিকে নাগরিক সমস্যাও এই কেন্দ্রের নির্বাচনী আলোচনায় জায়গা করে নিচ্ছে, পরিচ্ছন্নতা, যানজট, বাজার এলাকার ব্যবসার মন্দা, সব মিলিয়ে নানা ইস্যু রয়েছে। কিন্তু সব কিছুর ঊর্ধ্বে এখন মূল বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু একটাই, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং তাতে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement