Advertisement

খেজুরিতে অনেক দোকান জ্বালানোর অভিযোগ, 'এটাই BJP-র ভয় তাড়ানোর রাজনীতি'; কটাক্ষ অভিষেকের

BJP-র বিরুদ্ধে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি,খেজুরিতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ৬০টিরও বেশি দোকার জ্বালিয়ে দিয়েছে।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 10 May 2026,
  • अपडेटेड 11:43 AM IST
  • BJP-র বিরুদ্ধে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
  • তাঁর দাবি,খেজুরিতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ৬০টিরও বেশি দোকার জ্বালিয়ে দিয়েছে

BJP-র বিরুদ্ধে নির্বাচন পরবর্তী হিংসার অভিযোগ করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি,খেজুরিতে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ৬০টিরও বেশি দোকার জ্বালিয়ে দিয়েছে। তাঁর কটাক্ষ, 'এটাই কি ভয়ের রাজনীতি শেষ করার নমুনা?'

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ রবিবার এই নিয়ে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। সেখানে লেখেন, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সব্বার দোকান জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন বিপন্ন। তিনি লেখেন, 'ভয়কে তাড়ানোর রাজনীতি কি এভাবেই চলবে? বাংলা জ্বালিয়ে দিয়ে? খেজুরির নিচকাসবা গ্রাম পঞ্চায়েতের হিজলি শরিফে যা ঘটেছে, তা এক কথায় বর্বরতা। বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে ৬০টিরও বেশি দোকান পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে জীবিকা হারিয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। হিন্দুদের দোকান হোক বা মুসলিমদের— কাউকেই রেহাই দেওয়া হয়নি। এটি কোনও একটি সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ নয়, বাংলার সামাজিক সম্প্রীতি, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং শান্তিতে বাঁচতে চাওয়া সাধারণ মানুষের উপর পরিকল্পিত হামলা।
এটাই বিজেপির রাজনীতির আসল চেহারা — ঘৃণা, ভয় দেখানো এবং ধ্বংসের রাজনীতি। বাংলা কখনও এই হিংসার সামনে মাথা নত করবে না। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতেই হবে।' 

যদিও এই ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। কীভাবে আগুন লাগল তাও জানা যায়নি। 

প্রসঙ্গত, ৪ মে নির্বাচনের ফর প্রকাশিত হওয়ার পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। যদিও গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতারা সাফ জানিয়েছিলেন, কোনও হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। পার্টি অফিস দখল করা যাবে না। পুলিশের তরফ থেকেও অ্যাকশন নেওয়া হয়েছিল। গ্রেফতার করা হয়েছিল অনেককেই। 

এদিকে শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রোটোকল মেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি যাননি। শপথগ্রহণে হাজির ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও।  

Read more!
Advertisement
Advertisement