Advertisement

BJP Food Politics: মাছ থেকে ধোসা! অন্য রাজ্যেও বিজেপির বিরুদ্ধে 'ফুড পলিটিক্স'ই ইস্যু বিরোধীদের

BJP Food Politics: ভোটের রাজনীতিতে যে মাছও বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে, তার প্রমাণ ইতিমধ্যে মিলেছে। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়। তামিলনাড়ু, এমনকি ওড়িশাতেও খাবারের অভ্যাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়কে ঘিরেই এখন রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে।

খাবারের অভ্যাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়কে ঘিরেই এখন রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে। খাবারের অভ্যাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়কে ঘিরেই এখন রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে।
সৌমিক মজুমদার
  • কলকাতা,
  • 16 Apr 2026,
  • अपडेटेड 8:59 PM IST
  • ভোটের রাজনীতিতে যে মাছও বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে, তার প্রমাণ ইতিমধ্যে মিলেছে।
  • তামিলনাড়ু, এমনকি ওড়িশাতেও খাবারের অভ্যাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়কে ঘিরেই এখন রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে।
  • 'ফুড পলিটিক্স' অনেক ক্ষেত্রেই বিজেপির মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

BJP Food Politics: ভোটের রাজনীতিতে যে মাছও বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে, তার প্রমাণ ইতিমধ্যে মিলেছে। তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়। তামিলনাড়ু, এমনকি ওড়িশাতেও খাবারের অভ্যাস, সংস্কৃতি এবং পরিচয়কে ঘিরেই এখন রাজনৈতিক লড়াই তুঙ্গে। এই 'ফুড পলিটিক্স' অনেক ক্ষেত্রেই বিজেপির মাথাব্যথা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সবচেয়ে বড় উদাহরণ পশ্চিমবঙ্গ। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের আগে মাছ হয়ে উঠেছে বড় ইস্যু। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দাবি করছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে মাছ-মাংস খাওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। তৃণমূলের অভিযোগ, উত্তর ভারতের নিরামিষ সংস্কৃতি বাংলায় চাপিয়ে দিতে চাইছে বিজেপি।

এই অভিযোগের জবাব দিতে বিজেপিও পাল্টা ‘মাছ রাজনীতি’ শুরু করেছে। দলের প্রার্থী Sharadwat Mukhopadhyay-কে দেখা গিয়েছে বিশাল কাতলা মাছ হাতে নিয়ে প্রচার করতে। আবার শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), সুকান্ত মজুমদারদের (Sukanta Majumdar) মাছের প্রশংসা করতে দেখা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও (Amit Shah) জানিয়েছেন, খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপের কোনও পরিকল্পনা নেই।

তবুও প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। কেন মাছকে এত বড় ইস্যু বানাচ্ছে TMC? কারণ, বাংলার সংস্কৃতিতে ‘মাছ-ভাত’ শুধু খাবার নয়, পরিচয়ের অংশ। বিয়ের রীতি থেকে পুজোর ভোগ; সব ক্ষেত্রেই মাছের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবিকাও জড়িত মাছ চাষের সঙ্গে।

অন্যদিকে, তামিলনাড়ুতেও খাবার নিয়ে বিতর্ক চরমে। বিজেপি সভাপতি Nitin Nabin-এর কলাপাতায় খাওয়ার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর কংগ্রেস পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। তারা দাবি করে, আগে ওড়িশায় একই ধরনের খাবার সংস্কৃতিকে কটাক্ষ করেছিল বিজেপি। আর এখন তামিলনাড়ুতে সেটাই ব্যবহার করছে ভোটের জন্য।

ওড়িশার ঘটনাও নতুন করে সামনে এসেছে। ২০২৪ নির্বাচনে VK Pandian-কে লক্ষ্য করে ‘পখালা’ (পান্তা) খাওয়ার অভ্যাস নিয়ে প্রচার করেছিল বিজেপি। সেই পুরনো ভিডিও এখন ফের ভাইরাল। বিরোধীদের দাবি, বিজেপি এক-এক জায়গায় এক-এক কথা বলছে। 

Advertisement

যদিও বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, কোনও সংস্কৃতিকে অপমান করার উদ্দেশ্য ছিল না। বরং আঞ্চলিক পরিচয়কে সম্মান করাই তাদের লক্ষ্য।

সব মিলিয়ে, মাছ থেকে ধোসা; খাবার এখন রাজনীতির বড় অস্ত্র। ভারতের মতো বহুসাংস্কৃতিক দেশে খাবার মানেই মানুষের আবেগ, পরিচয় এবং গর্ব। আর সেই জায়গায় সামান্য ভুল বার্তাও ভোটে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement