Advertisement

গোসাবায় মার খেয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থা BJP কর্মীর, কিছুদিন আগেই ছেড়েছিলেন TMC

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে গোসাবা ব্লকের কোচুখালি নম্বর ১ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর জখম বিজেপি কর্মীর নাম সনাতন গায়েন। বর্তমানে তিনি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

ফাইল ছবি ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • গোসাবা ,
  • 26 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:03 AM IST
  • দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় রাজনৈতিক উত্তেজনা
  • বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিজেপি কর্মীর উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার রাতে গোসাবা ব্লকের কোচুখালি নম্বর ১ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। গুরুতর জখম বিজেপি কর্মীর নাম সনাতন গায়েন। বর্তমানে তিনি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, সনাতন গায়েনের মাথা ও হাতে গুরুতর আঘাত লেগেছে। অভিযোগ, তাঁকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।কিছুদিন আগেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দেন। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতা ও কর্মী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, সনাতনও তাঁদের অনুগামী হিসেবে দল পরিবর্তন করেছিলেন।

প্রহৃত সনাতনের অভিযোগ, তৃণমূলে থাকার সময় তাঁর কোনও সমস্যা হয়নি। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে নানা হুমকির মুখে পড়তে হয়। তিনি দাবি করেন, জমি সংক্রান্ত একটি বিবাদের জেরে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তবে এর পিছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসাও রয়েছে বলে তাঁর সন্দেহ।

ঘটনার জন্য তিনি এলাকার তিন তৃণমূল কর্মী স্বপন মণ্ডল, সুধীর মণ্ডল এবং স্বদেশ মণ্ডলের নাম উল্লেখ করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে সরাসরি হামলার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।

তৃণমূল নেতাদের দাবি, এটি সম্পূর্ণভাবে একটি পারিবারিক বিবাদের ফল এবং রাজনৈতিক রং দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁদের মতে, স্থানীয়স্তরে ব্যক্তিগত বিবাদ থেকেই এই সংঘর্ষের সূত্রপাত, এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। কে বা কারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে ভোটের আগে এমন ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement