
ছাব্বিশের ভোট নিয়ে একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। সুষ্ঠুভাবে ভোট পরিচালনা করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তাই করা হয়েছে। আর সেই লক্ষ্যপূরণে এবার প্রার্থীদের গতিবিধিতে রাশ টানল নির্বাচন কমিশন। তাদের নির্দেশ, এবার নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রার্থীরা নিজেদের এলাকা ছাড়তে পারবে না। প্রার্থীরা যাতে বিশৃঙ্খলা বা ঝামেলায় না জড়ান, সেটাও দেখছে কমিশন।
ইতিমধ্যেই কমিশনের পক্ষ থেকে খবর, প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হয়েছে সকাল ৭টা নাগাদ। শেষ হবে সন্ধে ৬টায়। আর এই গোটা সময়টা প্রার্থীকে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেই থাকতে হবে। তাঁরা অন্য কোথাও যেতে পারবে না। পাশাপাশি তাঁদের গতিবিধির উপরও আলাদা করে নজর রাখা হবে বলে খবর মিলছে।
বুথ সহয়তা কেন্দ্র
এই বার ভোট নিয়ে আরও একটা বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তাঁদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ভোটার চিহ্নিত করার জন্য ভোটার সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন বিএলও এবং তাঁর সহকারী। পাশাপাশি ২ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান উপস্থিত থাকবেন।
বিএলও-রাই প্রথম ভোটারদের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করবেন। তিনিই ভোটারের নাম ও সিরিয়াল নম্বরও মিলিয়ে নেবেন। পাশাপাশি দেখবেন, ভোটারের হাতে কোনও কালির দাগ রয়েছে কি না। এত কিছু দেখার পর তিনি যদি সন্তুষ্ট হন, তাহলেই ভোট দিতে পারবেন ভোটার। নইলে ভোট দেওয়া যাবে না। এর মাধ্যমেই ছাপ্পা এড়াতে চাইছে কমিশন।
আসলে কমিশন একটা জিনিস জানা যে বিএলও-রা SIR-এর কাজ করার সময় ভোটারদের একাংশকে চিনে গিয়েছেন। তাই তাঁর পক্ষে সঠিক ভোটার চেনা খুবই সহজ। এই কারণেই তাঁদেরকেই বসানো হয়েছে ভোটার সহায়তা কেন্দ্রে।
এখানেই শেষ নয়, কমিশনের পক্ষ থেকে বেনজির সংখ্যায় প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে বন্ধ রয়েছে মদের দোকান। এমনকী বাইক চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
মাথায় রাখতে হবে, আজ সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন। আপাতত তেমন কোনও বড় ঝামেলার খবর নেই। যদিও বিক্ষিপ্তভাবে কিছু এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। কিছু জায়গায় ভোট শুরু করতে দেরি হয়েছে। কিছু জায়গায় ভোটারদের ভয় দেখানোর উঠেছে অভিযোগ। তবে মোটের উপর শান্তিপূর্ণ রয়েছে পরিস্থিতি। এখন দেখার বেলা গড়াতে চিত্রটা ঠিক কী হয়!