Advertisement

West Bengal SIR: 'মনে হচ্ছে, বাংলার SIR-এর জন্য আলাদা বেঞ্চ গঠন করতে হবে,' মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সোমবার মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির বেঞ্চকে জানান, ৫ থেকে ৭ লক্ষ ভোটারকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়ে দেশের শীর্ষ আদালতের হস্তক্ষেপ চান তৃণমূলের রাজ্যসভার এই সাংসদ। যা শুনে দেশের প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, 'মনে হচ্ছে, বাংলার SIR-এর জন্য আলাদা বেঞ্চ গঠন করতে হবে।'

দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:33 PM IST
  • ৫ থেকে ৭ লক্ষ ভোটারকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত
  • এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইলেন মেনকা গুরুস্বামী
  • প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, 'মনে হচ্ছে, আলাদা বেঞ্চ লাগবে'

পশ্চিমবঙ্গের SIR মামলায় সুপ্রিম কোর্টে সোমবার আইনজীবী তথা তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী প্রধান বিচারপতির বেঞ্চকে জানান, ৫ থেকে ৭ লক্ষ ভোটারকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মিডিয়া রিপোর্টের উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'এই ৫ থেকে ৭ লক্ষ মানুষকে ফর্ম ৬ পূরণ করিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।' এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তিনি। 

দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মেনকা গুরুস্বামীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মন্তব্য করে বলেন, 'এই বিষয় নিয়ে প্রতিদিন এত তথ্য সামনে আসছে, মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে SIR নিয়ে আলাদা একটি বেঞ্চ গঠন করতে হতে পারে।' তবে তিনি এটাও বলেন, 'প্রথমে এই বিষয়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একটি পিটিশন দায়ের করতে হবে। তারপর শীর্ষ আদালত বিষয়টি বিবেচনা করবে।'

উল্লেখ্য, নতুন ভোটারের নাম তালিকায় যুক্ত করার জন্য ফর্ম ৬ ব্যবহার করা হয়। ফর্ম ৭ নাম বাদ দেওয়ার জন্য এবং ফর্ম ৮ ভোটারের নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য তথ্য সংশোধন বা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগেও যদি ট্রাইব্যুনাল কোনও 'ডিলিটেড' ভোটারের নামের নিষ্পত্তি করে, সেক্ষেত্রে তাঁরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। কিন্তু সেই ডেডলাইন শেষ হতে যখন মোটে আর একদিন বাকি, তখন নতুন করে তৈরি হল জটিলতা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো কাজ হচ্ছে না ট্রাইব্যুনালে, এমনই অভিযোগ উঠল সোমবার। জানা গিয়েছে, ১০৫ জন আবেদনকারীর হয়ে শীর্ষ আদালতে একটি পিটিশন ফাইল করা হয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের আবেদন শুনছে না ট্রাইব্যুনাল। গত ১৩ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই তাঁদের নির্দিষ্ট শিডিউলের আগেই শুনানির কথা ছিল। কিন্তু আবেদনকারীদের অভিযোগ, ট্রাইব্যুনাল চত্বরে তাঁদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা রক্ষীরা তাঁদের ঠেলে বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দেখানোর পরও। মামলাকারীদের আইনজীবী দেবদত্ত কামাতের অভিযোগ, সার্বিক ভাবে  ট্রাইব্যুনালে কোনও আইনজীবীকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। আবেদনকারীরাও সেখানে যেতে পারছেন না। ভোটারদের হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে আসতে বলা হচ্ছে। কেবলমাত্র কম্পিউটারে বিবেচনা করা হচ্ছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement