Advertisement

'নির্বাচনের চাপে অন্ধ হয়ে যাবেন না', বাংলার ভোটারদের অধিকার নিয়ে সরব সুপ্রিম কোর্ট

যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ও আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন তাঁদের একটি মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে আবেদনকারীরা ভোটার তালিকা চূড়ান্ত (ফ্রিজ) করার সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

সুপ্রিম কোর্টে SIR-এর শুনানি সুপ্রিম কোর্টে SIR-এর শুনানি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি ,
  • 13 Apr 2026,
  • अपडेटेड 2:27 PM IST
  • পশ্চিমবঙ্গের SIR সংক্রান্ত মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের
  • ভোটারদের তালিকায় থাকা অধিকার

পশ্চিমবঙ্গের SIR সংক্রান্ত মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। ভোটারদের তালিকায় থাকা অধিকার। ভোট পরিচালনা করানোর জন্য সেই অধিকার থেকে সাধারণ মানুষ যেন বঞ্চিত না হন- এমনটাই মত দেশের সর্বোচ্চ আদালতের।

যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ও আপিল ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন তাঁদের একটি মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে আবেদনকারীরা ভোটার তালিকা চূড়ান্ত (ফ্রিজ) করার সময়সীমা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের যুক্তি, যদি আপিলে তাঁরা সফল হন, তাহলে এইন বিধানসভা নির্বাচনেই যেন ভোট প্রয়োগের অধিকার তাঁদের দেওয়া হয়। তখন নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, গত ৯ এপ্রিল  ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা বলেন, 'ভোটারদের ভোটার তালিকায় থাকার অধিকার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। যে দেশে একজনের জন্ম, সেই দেশে ভোটার হিসেবে থাকার অধিকার শুধু সাংবিধানিক নয়, এটি আবেগের বিষয়ও। আমাদের এই অধিকার রক্ষা করতে হবে। আসন্ন নির্বাচনের চাপ ও উত্তেজনায় আমরা যেন অন্ধ হয়ে না যাই।' 

বাংলার ভোটারদের একাংশ দুই সাংবিধানিক সংস্থার চাপে পড়েছেন বলেও দাবি করেন বিচারপতিরা। বলেন, 'এটি রাজ্য ও নির্বাচন কমিশনের লড়াই নয়, দোষারোপের বিষয়ও নয়। এখানে ভোটারই দুই পক্ষের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে। আদালত সবসময় নির্বাচন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে হস্তক্ষেপ করেছে, থামাতে নয়।' 

তবে আদালত এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছে, বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ না পড়লে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বিচারপতি বাগচীর কথায়, 'যদি ১০ শতাংশ ভোট না পড়ে এবং জয়ের ব্যবধান ১০ শতাংশের বেশি হয়, তাহলে সমস্যা নেই। কিন্তু ব্যবধান ৫ শতাংশের কম হলে আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।' 

এদিন আদালত পশ্চিমবঙ্গে আপিল ট্রাইব্যুনালের কাজকর্ম নিয়েও শুনানি করে। আবেদনকারীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, আপিলগুলি দ্রুত শোনা হচ্ছে না। তবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত আবেদনকারীকে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার পরামর্শ দেন এবং বলেন, বিচারকদের উপর চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। 
 

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement