
১০ রাউন্ড অবধি লড়াই হাড্ডাহাড্ডি হবে। এরপর থেকে জিতবেন তিনিই। সকালেই দাবি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাস্তবে হলও তাই। ভবানীপুরেও জিতলেন তিনি। এবারও হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারালেন তিনি। মোট ২০ রাউন্ড গণনা হয় এই কেন্দ্রে। পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে থেকে শুরু করলেও EVM খোলার পর পিছোতে শুরু করেন শুভেন্দু অধিকারী। এগিয়ে যেতে থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
টানা ১৫ রাউন্ড পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে ছিলেন। তবে তারপর থেকে শুভেন্দু অধিকারী লিড পেতে শুরু করেন। তবে তারপর থেকে একতরফাভাবে লিড পেতে শুরু করেন তিনি। ২০ রাউন্ড গণনা শেষে জিতে যান ১৫ হাজারেরও বেশি ভোটে।
ভবানীপুর আসনের ফল ঘোষণার আগেই নন্দীগ্রামের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। নন্দীগ্রামে আগেই জিতছেন শুভেন্দু। এবার ভবানীপুর আসনও জিতে নিলেন বিরোধী দলনেতা। মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে তাঁরই আসনে যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন, তাতে এ বার সাফল্য পেলেন শুভেন্দু।
ভবানীপুরে প্রচারে বেরিয়ে শুভেন্দু একাধিকবার জানিয়েছিলেন, তাঁকে ভবানীপুরে দাঁড়াতে বলেছিলেন অমিত শাহ। সেজন্য তিনি দাঁড়িয়েছিলেন। দাবিও করেছিলেন তিনি জিতবেন। বাস্তবে তাই করে দেখালেন।
যদিও এদিন ভোট গণনার সময়ও উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরের কাউন্টিং সেন্টারে। সেখানে বিকেলে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। বেশ কয়েক ঘণ্টা পরে তিনি বেরিয়ে আসেন সেখান থেকে। অভিযোগ করেন, তাঁকে মারধর করা হয়েছে। EVM লুট হয়েছে। তারপর বেরিয়ে যান তিনি।
এদিকে জেতার পর শুভেন্দু বলেন,' আমি জানতাম জিতব। আমাকে হিন্দুরা ভোট দিয়েছে। মুসলিমরা দেয়নি। এই জয় হিন্দুত্বের।'