Advertisement

Strong Room Security: বুথ থেকে স্ট্রংরুম, ভোটের পর EVM রাখার নিয়ম কী? সত্যিটা জানুন

EVM security: ভোট শেষের পর EVM কোথায় যায়? স্ট্রং রুমের নিয়ম কী? সেই বিষয়েই জানতে পারবেন এই প্রতিবেদনে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ইভিএম স্ট্রং রুম বিতর্কে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।

একবার সিল হয়ে গেলে ভোটগণনার দিন ছাড়া স্ট্রং রুম খোলা যায় না।একবার সিল হয়ে গেলে ভোটগণনার দিন ছাড়া স্ট্রং রুম খোলা যায় না।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 3:51 PM IST
  • ভোট শেষের পর EVM কোথায় যায়? স্ট্রং রুমের নিয়ম কী?
  • বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ইভিএম স্ট্রং রুম বিতর্কে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি।
  • ভোটের সময় শেষ হলেই ইভিএম সবার সম্মুখেই ফের সিল করা হয়।

EVM security: ভোট শেষের পর EVM কোথায় যায়? স্ট্রং রুমের নিয়ম কী? সেই বিষয়েই জানতে পারবেন এই প্রতিবেদনে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে ইভিএম স্ট্রং রুম বিতর্কে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। দলীয় প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে স্ট্রং রুমে 'মুভমেন্ট' হয়েছে বলে দাবি তুলেছেন কুণাল ঘোষ। গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ও। যদিও CEO মনোজ আগরওয়াল অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।  

কীভাবে ইভিএম রাখা হয়?
নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা হয়। থাকে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা। ভোটের পর কড়া নজরদারিতে রাখা হয় ভোটের মেশিন।

নির্বাচনী বিধি এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ থেকে গণনা; গোটা প্রক্রিয়াই সম্পূর্ণ স্বচ্ছ এবং নিয়ম মেনে করতে হয়। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়(Election Commission India)। প্রতিটি ধাপে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অনুমোদিত প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থাকেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই ইভিএম পরীক্ষা, সিল এবং স্ট্রংরুমে সংরক্ষণের কাজ সম্পন্ন হয়।

ভোট শুরুর আগেই 'মক পোল'-এর মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয় ইভিএম ঠিকমতো কাজ করছে কি না। এই পরীক্ষার সময় সব প্রার্থীর এজেন্ট উপস্থিত থাকেন। ফর্ম 17A-তে ইভিএমের নম্বর-সহ সমস্ত তথ্য নথিভুক্ত করা হয়। পরীক্ষার পর এজেন্টরা স্বাক্ষর করে জানান, মেশিন সঠিকভাবে কাজ করছে।

এরপর সারাদিন ভোটগ্রহণ চলে। ভোটের সময় শেষ হলেই ইভিএম সবার সম্মুখেই ফের সিল করা হয়। উপস্থিত থাকেন প্রার্থীদের প্রতিনিধিরা। তাঁরা পুরো বিষয়টি দেখে সই করে দেন। এরপর কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট স্ট্রংরুমে নিয়ে যাওয়া হয়।

স্ট্রংরুম কী?
একাধিক ইভিএম এনে যেখানে রাখা হয়, সেই স্থানটিকেই স্ট্রং রুম বলে। সাধারণত নিকটস্থ কোনও বড় হলঘর বেছে নেওয়া হয়।সেখানে সমস্ত প্রবেশপথে কড়া নিরাপত্তা থাকে। একাধিক সিসিটিভি ক্যামেরাও চালু থাকে।

এই স্ট্রংরুমে ঢোকানোর আগেও ফের একবার মেশিনের নম্বর মিলিয়ে দেখা হয়। ফর্মে থাকা তথ্যের সঙ্গে প্রতিটি ইভিএম মেলানো হয়। তারপর রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতেই স্ট্রংরুম সিল করা হয়। একবার সিল হয়ে গেলে ভোটগণনার দিন ছাড়া সেই ঘর খোলা যায় না।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী, স্ট্রংরুমে তিন স্তরের নিরাপত্তা থাকে। সবচেয়ে ভিতরের অংশে রাখা হয় ইভিএম। সেখানে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানরা পাহারায় থাকেন। তাঁদের উপরেও ২৪ ঘণ্টা সিসিটিভি নজরদারি চলে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর ডিউটি বদল হয়।

দ্বিতীয় নিরাপত্তা বলয়ে আধাসামরিক বাহিনীর পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের থাকার ব্যবস্থা থাকে। সেখানে বড় স্ক্রিনে সারাক্ষণ সিসিটিভি ফুটেজ দেখা যায়। এমনকি ক্যামেরার ব্যাটারি বদল বা প্রযুক্তিগত কোনও কাজ হলেও তা প্রতিনিধিদের জানিয়েই করা হয়।

সবচেয়ে বাইরের নিরাপত্তা বলয়ে থাকে রাজ্য পুলিশ। স্ট্রংরুম এলাকায় ঢুকতে গেলে প্রয়োজন হয় বিশেষ অনুমোদিত পরিচয়পত্র। প্রার্থীর তরফে দেওয়া অনুমোদনপত্রের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের দেওয়া QR কোডযুক্ত পাসও দেখাতে হয়।

বিশেষ পরিস্থিতিতে, যেমন শর্ট সার্কিট বা অন্য কোনও দুর্ঘটনা ঘটলে যদি স্ট্রংরুম খুলতেই হয়, তা হলেও নির্দিষ্ট নিয়ম মানা বাধ্যতামূলক। সব প্রার্থীর প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এবং তাঁদের স্বাক্ষরের পরেই স্ট্রংরুম খোলা হয়। তারপর ফের তাঁদের সাক্ষ্যেই সিল করা হয়।

ভোটগণনার দিন সকালেও একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়। স্ট্রংরুমের সিল খোলার সময় প্রার্থীদের এজেন্টরা উপস্থিত থাকেন। প্রতিটি ইভিএমের নম্বর মিলিয়ে তবেই গণনাকক্ষে মেশিন পাঠানো হয়।

অর্থাৎ, ভোটের দিন থেকে ফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিরা পুরো প্রক্রিয়ার সাক্ষী থাকেন। নির্বাচন কমিশনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এত কড়া নিয়ম এবং বহুস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়।

বৃহস্পতিবার TMC-র তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন কী জানিয়েছে?
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, 'ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে মোট ৭টি স্ট্রংরুম রয়েছে। সমস্ত স্ট্রংরুম নিয়ম মেনে বন্ধ ও সিল করা হয়েছে। একই প্রাঙ্গণে পোস্টাল ব্যালটের জন্য আলাদা স্ট্রংরুম রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন পোলিং কর্মী এবং ETBPS-এর মাধ্যমে জমা পড়া বিধানসভাভিত্তিক পোস্টাল ব্যালট রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সমস্ত অবজ়ারভার এবং রিটার্নিং অফিসারদের (RO) জানানো হয়েছিল। একই সঙ্গে প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টদের বিষয়টি জানানোর জন্যও RO-দের অনুরোধ করা হয়েছিল। রিটার্নিং অফিসাররা ই-মেলের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকেও বিষয়টি জানিয়েছেন। বিকেল ৪টে থেকে স্ট্রংরুম সংলগ্ন করিডরে পোস্টাল ব্যালটগুলির পৃথকীকরণের কাজ  চলছিল। মূল স্ট্রংরুমগুলি সম্পূর্ণ নিরাপদে সিল ও তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।' 

Read more!
Advertisement
Advertisement