Advertisement

'BJP-তে তৃণমূলের লোক ঢুকতে দেব না, দরকারে সভাপতিত্ব ছেড়ে দেব', সাফ বার্তা শমীকের

'বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেব না। যারা নিজেদের রক্তঘাম দিয়ে বিজেপি তৈরি করেছে, দরকার হলে আমি রাস্তায় নামব। আমাদের দুজন কর্মী মারা গেছে। এটা যদি উল্টো ফল হত, এখনও পর্যন্ত বিজেপির ২০০ কর্মী খুন এবং ১ হাজার বিজেপির মহিলা গণধর্ষিতা হয়ে যেতেন।'

শমীক ভট্টাচার্য-ফাইল ছবিশমীক ভট্টাচার্য-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 May 2026,
  • अपडेटेड 2:42 PM IST
  • বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত উড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।
  • ফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় গেরুয়া ঝড়ে কার্যত উড়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফল ঘোষণার পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, বিজেপির পতাকা ব্যবহার করে কোনওরকম হিংসাত্মক কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধী দলের পার্টি অফিস দখল বা ভাঙচুরে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে দল থেকেও বহিষ্কার করা হবে।

একইসঙ্গে পুলিশ প্রশাসনের প্রতিও তিনি বার্তা দিয়েছেন, ভোট-পরবর্তী হিংসায় যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।

বুধবারও এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির পতাকা নিয়ে যদি তৃণমূল তৃণমূলকেই আক্রমণ করে, সে দায় বিজেপি নেবে না। আমি আগেই বলেছিলাম পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল চলে গেছে। চলে যাওয়ার পর যে টাইমটা থাকে, সেই সময়ে কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে তৃণমূলকে তৃণমূলের হাত থেকে বাঁচাতে। বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেব না। যারা নিজেদের রক্তঘাম দিয়ে বিজেপি তৈরি করেছে, দরকার হলে আমি রাস্তায় নামব। আমাদের দুজন কর্মী মারা গেছে। এটা যদি উল্টো ফল হত, এখনও পর্যন্ত বিজেপির ২০০ কর্মী খুন এবং ১ হাজার বিজেপির মহিলা গণধর্ষিতা হয়ে যেতেন। এগুলো যারা করছেন, বিজেপির যত বড় নেতাই হোক, অ্যারেস্ট করাব। না হলে বিজেপি সভাপতির পদ ছেড়ে দেব। ডিজে বন্ধ করতে হবে। এটা চলবে না। আমরা চলতে দেব না।”

সব মিলিয়ে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যে এখনও উত্তপ্ত, তা স্পষ্ট। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব, দুই পক্ষেরই দায়িত্ব রয়েছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement