Advertisement

ভোটের আগে বাইকে মাত্র ১২ ঘণ্টা বিধিনিষেধ, কমিশনকে ভর্ৎসনা বিচারপতির

বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বড়সড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ কমিশনের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, অযৌক্তিকভাবে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা যায় না।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:19 AM IST
  • বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বড়সড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন।
  • কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ কমিশনের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে।

বাইক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত নির্দেশিকায় বড়সড় ধাক্কা খেল নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের সিঙ্গল বেঞ্চ কমিশনের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, অযৌক্তিকভাবে সাধারণ মানুষের চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা যায় না।

মামলার শুনানিতে বিচারপতি স্পষ্ট করে জানান, ভোটের আগে দীর্ঘ সময় ধরে বাইক চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত নয়। তিনি মন্তব্য করেন, 'সব কিছু অযথা থামিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।” শেষ পর্যন্ত আদালত জানিয়ে দেয়, ৪৮ ঘণ্টা নয়, ভোটের আগে মাত্র ১২ ঘণ্টা আংশিক বিধিনিষেধই কার্যকর থাকবে।

রায় অনুযায়ী, ভোটের আগের দিন সন্ধে ৬টা থেকে ভোটের দিন সকাল ৬টা পর্যন্ত বাইকের পেছনে আরোহী নেওয়ার উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। একই নিয়ম ভোটের দিন সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্তও বহাল থাকবে। তবে চিকিৎসা কিংবা জরুরি সামাজিক প্রয়োজনে পরিবারের সদস্যকে সঙ্গে নেওয়ার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

শুনানিতে কমিশনের তরফে দাবি করা হয়, বাইক ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানো এবং দ্রুত এলাকা ত্যাগ করার অভিযোগ বারবার আসছে। তাঁদের যুক্তি, বাইকই সবচেয়ে সহজে নজরদারি এড়িয়ে চলাচলের মাধ্যম। অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, কোন আইনের ভিত্তিতে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি জানতে চান, নির্দিষ্ট আইনি ধারা না দেখিয়ে কীভাবে এমন নির্দেশ জারি করা হল। পাশাপাশি তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, তাদের কাজে লাগানোই উচিত, সাধারণ মানুষের উপর অতিরিক্ত বিধিনিষেধ চাপানো নয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement