Advertisement

মদের দোকান তো বন্ধ! পূর্ব বর্ধমানে হঠাত্‍ তাড়ির বাজার গরম, দাম কেমন?

ভোটের ড্রাই ডে-র জেরে রাজ্যজুড়ে বন্ধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান ও পানশালা। আর তাতেই বিপাকে পড়েছেন সুরাপ্রেমীরা। তবে উপায় বেরিয়ে গেছে, অস্থায়ী ভরসা এখন তালরস বা তাড়ি। গুসকরা ও আশপাশের এলাকায় তালবাগানেই ভিড় জমাচ্ছেন অনেকে।

তাড়ি।-ফাইল ছবিতাড়ি।-ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Apr 2026,
  • अपडेटेड 11:36 AM IST
  • ভোটের ড্রাই ডে-র জেরে রাজ্যজুড়ে বন্ধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান ও পানশালা।
  • আর তাতেই বিপাকে পড়েছেন সুরাপ্রেমীরা।

ভোটের ড্রাই ডে-র জেরে রাজ্যজুড়ে বন্ধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত মদের দোকান ও পানশালা। আর তাতেই বিপাকে পড়েছেন সুরাপ্রেমীরা। তবে উপায় বেরিয়ে গেছে, অস্থায়ী ভরসা এখন তালরস বা তাড়ি। গুসকরা ও আশপাশের এলাকায় তালবাগানেই ভিড় জমাচ্ছেন অনেকে।

প্রতিদিন সন্ধের পর যাঁদের মদ্যপান অভ্যাস, তাঁদের কাছে এই সময়টা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছে। আবগারি দফতরের নির্দেশে মদের দোকান বন্ধ থাকায় বিকল্প হিসেবে অনেকেই ঝুঁকছেন তালরসের দিকে। গুসকরা শহরের রায়পাড়া, মাঠপাড়া ও লাইপাড়ায় প্রচুর তালগাছ রয়েছে, যেখানে গ্রীষ্মকালে নিয়মিত তালরস সংগ্রহ করা হয়।

তালরস সংগ্রহের প্রক্রিয়াও বেশ নির্দিষ্ট। সূর্যাস্তের পর গাছে হাঁড়ি বেঁধে রাখা হয় এবং ভোরের আগেই তা নামানো হয়। তখন রস থাকে মিষ্টি স্বাদের। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই রসে ফারমেন্টেশন শুরু হয় এবং তা তাড়িতে পরিণত হয়, যা পান করলে নেশা হয়। বর্তমানে এই তাড়িরই চাহিদা বেড়েছে চোখে পড়ার মতো।

স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, গুসকরার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১৪-১৫ জন বিক্রেতা সকাল থেকেই তাড়ি বিক্রি করছেন। হাঁড়ি নিয়ে বসে পড়ার পর মাত্র এক-দেড় ঘণ্টার মধ্যেই সব বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। প্রতি লিটার তালরসের দাম প্রায় ২০ টাকা, ফলে খরচও তুলনামূলকভাবে কম।

শুধু গুসকরা নয়, আশপাশের আউশগ্রাম, ভাতার, মঙ্গলকোট এমনকি মানকর থেকেও মানুষ তালরস কিনতে আসছেন। কেউ সেখানেই বসে পান করছেন, কেউ আবার বোতল বা পাত্রে করে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। তালবাগানগুলিতে সকালবেলা ছোট ছোট আড্ডাও জমে উঠছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement