Advertisement

যাঁরা মার খেয়েছেন, পুরস্কৃত করা হবে, মিটিংয়ে একাধিক বড় বার্তা মমতা, অভিষেকের 

এছাড়াও বৈঠকে গণনার দিন কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেন দলনেত্রী। কোথাও গণনায় গড়মিল বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে পুনর্গণনার দাবি জানাতে হবে, এমনই বার্তা দেওয়া হয় কাউন্টিং এজেন্টদের। প্রতিটি পদক্ষেপে আইনি ও নিয়ম মেনে চলার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 May 2026,
  • अपडेटेड 5:02 PM IST
  • ভোটপর্ব মিটতেই গণনাকে ঘিরে প্রস্তুতি আরও জোরদার করল তৃণমূল।
  • শনিবার দুপুরের পর কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক শুরু হয়।

ভোটপর্ব মিটতেই গণনাকে ঘিরে প্রস্তুতি আরও জোরদার করল তৃণমূল। শনিবার দুপুরের পর কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল বৈঠক শুরু হয়। এই বৈঠকে মূলত রাজ্যের বিভিন্ন কেন্দ্রে নিযুক্ত কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে সরাসরি বার্তা দেন দলনেত্রী।

বৈঠকের শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের নিরলস পরিশ্রম ও লড়াইয়ের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ভোটের সময় যারা নানা বাধা-বিপত্তি, এমনকি কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাপের মধ্যেও নিজেদের দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁদের দল যথাযথ মর্যাদা দেবে। তাঁর কথায়, 'যারা লড়াই করেছে, যারা মার খেয়েছে, তাদের আমরা সম্মান ও পুরস্কৃত করব।'

এছাড়াও বৈঠকে গণনার দিন কীভাবে সতর্ক থাকতে হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেন দলনেত্রী। কোথাও গণনায় গড়মিল বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে পুনর্গণনার দাবি জানাতে হবে, এমনই বার্তা দেওয়া হয় কাউন্টিং এজেন্টদের। প্রতিটি পদক্ষেপে আইনি ও নিয়ম মেনে চলার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্টিং এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে শেষ মুহূর্তে সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগদান বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, গণনার আগে দলীয় কৌশলকে আরও সুসংহত করতেই শীর্ষ নেতৃত্ব সরাসরি এই বৈঠকে অংশ নেন।

অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মহিলা ও শিশুদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কিছু সংবাদমাধ্যমও এই কাজে পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement