Advertisement

Giriraj Singh: বাংলার সীমান্তে মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণ বাড়ছে? উদ্বেগ জানিয়ে বড় দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট নিয়ে ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তিনি রক্সৌলে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাবি করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে। তাঁর মতে, বর্তমানে রাজ্যে ইন্ডিয়া জোট রয়েছে ঠিকই। তবে সেটা চার ভাগে বিভক্ত। আর এই কারণেই গেরুয়া বাহিনীর জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় মাদ্রাসা এবং মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।

মসজিদ, মাদ্রাসা বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গেমসজিদ, মাদ্রাসা বাড়ছে পশ্চিমবঙ্গে
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Feb 2026,
  • अपडेटेड 8:33 AM IST
  • পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট নিয়ে ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং
  • বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে
  • সীমান্ত এলাকায় মাদ্রাসা এবং মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করলেন

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোট নিয়ে ফের মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং। তিনি রক্সৌলে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দাবি করেছেন যে পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে। তাঁর মতে, বর্তমানে রাজ্যে ইন্ডিয়া জোট রয়েছে ঠিকই। তবে সেটা চার ভাগে বিভক্ত। আর এই কারণেই গেরুয়া বাহিনীর জয় নিশ্চিত। পাশাপাশি তিনি রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় মাদ্রাসা এবং মসজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করলেন।

তোষণের রাজনীতি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোষণমূলক রাজনীতি করার অভিযোগ তুলেছেন গিরিরাজ। 

তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার রাজ্যে অনুপ্রবেশকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। যার ফলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। 

নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি ১৯৪৬ সালের ‘ডাইরেক্ট অ্যাকশন ডে’-র প্রসঙ্গও তোলেন। তিনি জানান, সেই সময় দাঙ্গা হয়েছিল। আর বর্তমান পরিস্থিতিতেও সেই ভয় রয়েছে। তা নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশও করেন। তাই তিনি বিজেপি সরকার গঠন করতে চান। এমনটা করা সম্ভব হলেই পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা ঠিক হবে বলে মনে করেন তিনি।

মসজিদ, মাদ্রাসা নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেন
নিজের বক্তব্যে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রসঙ্গ তোলেন এই বিজেপি নেতা। তিনি জানান রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদ্রাসা ও মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে। এটা উদ্বেগজনক। 

মাথায় রাখতে হবে যে, পশ্চিমঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলি থেকেই বাংলাদেশে সিট পেয়েছে উগ্র ইসলামপন্থী জামাত-ই ইসলামি। তারপরই বিজেপি বলতে শুরু করেছে যে পশ্চিমবঙ্গের জামাতই বাংলাদেশের জামাতকে জিতিয়েছে। আর সেই লাইনেই কথা বললেন গিরিরাজও।

তাই তিনি চান বিজেপি সরকারে আসুক। তেমনটা হলেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী হবে।

জাতপাতের বিভাজন দূরে সরানোর কথা বলেন
গিরিরাজের মুখে ঐক্যের কথাও শোনা যায়। তিনি মনে করেন জাতপাতের ভিত্তিতে বিভাজন হওয়া একবারেই উচিত নয়। সেই সঙ্গে তিনি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ রক্ষার উপর জোর দেন।

যদিও নিজের বক্তব্যের শেষেও তিনি পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার পতনের প্রসঙ্গই তোলেন। তাঁর মতে, এই সরকার আর বেশিদিন স্থায়ী হবে না। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয় অবশ্যম্ভাবী। 

Advertisement

ভোট এসেই গেল
মাথায় রাখতে হবে, পশ্চিমবঙ্গে SIR চলছে। ২৮ তারিখ ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরনোর কথা। আর মনে করা হচ্ছে যে ফাইনাল ভোটার লিস্ট বেরলেই পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা হয়ে যাবে। আর সেই ভোটে মূলত দুই প্রতিপক্ষ, বিজেপি এবং তৃণমূল। তাই ইতিমধ্যেই তারা একে অপরের দিকে নিশানা করতে শুরু করেছে। একদিকে নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল সরকারের নিন্দায় ব্যস্ত। অন্যদিকে আবার আক্রমণ শানাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন দেখার ভোটের ফল কোন দিকে যায়।

 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement