Advertisement

Chandranath Rath Murder: চন্দ্রনাথকে খুন করেছে সুপারি কিলার? নজরে CCTV ফুটেজ

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে খুন করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর PA চন্দ্রনাথ রথকে। আর সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের খোঁজে একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, পেশাদার শ্যুটাররা এই কাজ করে থাকতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক।

চন্দ্রনাথ রথের হত্যাচন্দ্রনাথ রথের হত্যা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 May 2026,
  • अपडेटेड 9:02 AM IST
  • বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে খুন করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর PA চন্দ্রনাথ রথকে
  • আর সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ
  • তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে

বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামে খুন করা হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর PA চন্দ্রনাথ রথকে। আর সেই ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দিয়েছে পুলিশ। তারা সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। পাশাপাশি দুষ্কৃতীদের খোঁজে একাধিক দল গঠন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনুমান, পেশাদার শ্যুটাররা এই কাজ করে থাকতে পারে। এমনটাই জানিয়েছেন এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক।

এই তদন্তে পুলিশ দেখার চেষ্টা করছে, এই হত্যাকাণ্ডে ভাড়াটে খুনিদের (কন্ট্র্যাক্ট কিলার) ব্যবহার করা হয়েছিল কি না। যদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তাহলে কারা করল এই কাজ। এছাড়া দুষ্কৃতীদের খোঁজে শুরু হয়ে গিয়েছে তল্লাশি। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল এবং আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। পাশাপাশি হামলাকারীদের চিহ্নিত করতে একাধিক তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে কী জানা যাচ্ছে?
পুলিশ সূত্রে খবর, রাতের বেলায় ফিরছিলেন চন্দ্রনাথ। প্রায় সাড়ে ১০টা নাগাদ দোলতলা ও মধ্যমগ্রাম চৌমাথার মাঝামাঝি দোহারিয়া এলাকায় চন্দ্রনাথের গাড়ির পথ আটকে দেয় মোটরবাইকে থাকা দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা গুলি চালিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পর রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত এবং সিআরপিএফের ডিজি জ্ঞানেন্দ্র প্রতাপ সিং।

এক পুলিশ আধিকারিক জানান, 'ইতিমধ্যেই গোটা ঘটানার বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। আমরা একাধিক সূত্র ধরে এগোচ্ছি।'

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ৪২ বছর বয়সী চন্দ্রনাথ কলকাতা থেকে মধ্যমগ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময়ই তাঁর উপর হামলা হয়। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বুদ্ধদেব বেরা। তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। বর্তমানে কলকাতার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, হামলার সময় অন্তত ৬ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। হামলাকারীরা হেলমেট পরে ছিল। তাদের গাড়িতে নম্বরপ্লেট ছিল না। 

তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই হামলায় অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাথমিক ফরেন্সিক রিপোর্ট অনুযায়ী, হামলাকারীরা সম্ভবত গ্লক ৪৭এক্স পিস্তল ব্যবহার করেছিল।

এক শীর্ষ পুলিশ আধিকারিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, 'এই ধরনের অস্ত্র সাধারণ অপরাধীরা ব্যবহার করে না। তাই পেশাদার শ্যুটাররা এই কাজ করে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।'

Advertisement

প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, চারটি মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা একসঙ্গে চন্দ্রনাথের গাড়ি ঘিরে ধরে। তারপর একবারে কাছ থেকে একাধিক রাউন্ড গুলি চালায়।

ডিজিপি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত সাংবাদিকদের বলেন, 'একটি সন্দেহজনক গাড়ি আটক করা হয়েছে। এই গাড়িটি চন্দ্রনাথের গাড়ির রাস্তা আটকেছিল বলে অভিযোগ। তবে গাড়িটিতে লাগানো নম্বরপ্লেটটি ভুয়ো বলে জানা গিয়েছে।'

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে ফাঁকা কার্তুজ ও তাজা গুলি উদ্ধার হয়েছে। এই মুহূর্তে হামলার উদ্দেশ্য এখনও স্পষ্ট নয়।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement