Advertisement

রাইফেল হাতে পোস্টের জের, কালীঘাট থানার ওসি সাসপেন্ড, দায়িত্বে কে?

ঘটনার সূত্রপাত একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ঘিরে। সেখানে গৌতম দাসকে পুলিশের উর্দি পরে, হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নিজের অফিসের চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশন ছিল, ‘নতুন অ্যাসাইমেন্টের জন্য প্রস্তুত’। এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয় এবং রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

ওসি গৌতম দাস।-সংগৃহীত ছবিওসি গৌতম দাস।-সংগৃহীত ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 02 May 2026,
  • अपडेटेड 4:07 PM IST
  • কলকাতার কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাসকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত পোস্টের জেরে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
  • তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে।

কলকাতার কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাসকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্কিত পোস্টের জেরে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চামেলি মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশের সার্ভিস রুল ভঙ্গের অভিযোগেই লালবাজার এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ঘিরে। সেখানে গৌতম দাসকে পুলিশের উর্দি পরে, হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে নিজের অফিসের চেয়ারে বসে থাকতে দেখা যায়। ছবির ক্যাপশন ছিল, ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত’। এই পোস্ট ঘিরেই বিতর্ক তৈরি হয় এবং রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বিষয়টি সামনে আনেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ছবি পোস্ট করে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর অভিযোগ, কর্তব্যরত অবস্থায় কোনও পুলিশকর্তার এভাবে উর্দি পরে অস্ত্রসহ ছবি পোস্ট করা নিয়মবিরুদ্ধ এবং তা সাধারণ মানুষের কাছে ভুল বার্তা দেয়। পাশাপাশি, তিনি দাবি করেন, ছবিটি হুমকিসূচক এবং আইনবিরুদ্ধও হতে পারে।

এই বিষয়ে তিনি চিঠি পাঠান দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল এবং কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পোস্ট শুধু অস্বস্তিকর নয়, বরং আইন ভঙ্গের সামিল এবং তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয় যখন প্রশ্ন ওঠে, গৌতম দাসের হাতে দেখা ওই অস্ত্রটি আদৌ তাঁর জন্য বরাদ্দ ছিল কি না, এবং তিনি সেটি ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষিত কি না। তৃণমূলের তরফে এটিকে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক বলেও দাবি করা হয়।

উল্লেখযোগ্যভাবে, ভোটের আবহেই এই ঘটনা ঘটেছে। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটের মুখে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কালীঘাট থানার ওসি পদে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তবে নতুন করে এই বিতর্কের জেরে আবারও ওসি বদল হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement