Advertisement

Vote Boycott: ওয়েব সিরিজের 'ফুলেরা' পুরুলিয়ার এই গ্রাম, ভোট বয়কট গ্রামবাসীর

নিজেদের দাবি না মেটার প্রতিবাদে ভোটই বয়কট করলেন গ্রামবাসীরা। পুরুলিয়ার জয়পুর বিধানসভার  ১৬৩ নম্বর হরতান বুথে এই কাণ্ড ঘটেছে। এই বিধানসভায় নির্বাচন ছিল প্রথম দফায়, গত ২৩ এপ্রিল। কিন্তু তীব্র ক্ষোভ নিয়ে ভোট বয়কট করেছেন ১৬৩ নম্বর হরতান বুথের ভোটাররা। ফলে ওই বুথে ভোটদানের হার রয়েছে '০' শতাংশ।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
কিশোর শীল
  • পুরুলিয়া,
  • 30 Apr 2026,
  • अपडेटेड 3:28 PM IST
  • দাবি না মেটায় প্রতিবাদে ভোটই বয়কট করলেন গ্রামবাসীরা।
  • জয়পুর বিধানসভার ১৬৩ নম্বর হরতান বুথে এই কাণ্ড ঘটেছে।
  • ফলে ওই বুথে ভোটদানের হার রয়েছে '০' শতাংশ।

বাংলায় শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। আগামী ৪ মে ফলপ্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। তার আগে সামনে এল একটি অন্য ধরনের খবর। নিজেদের দাবি না মেটার প্রতিবাদে ভোটই বয়কট করলেন গ্রামবাসীরা। পুরুলিয়ার জয়পুর বিধানসভার  ১৬৩ নম্বর হরতান বুথে এই কাণ্ড ঘটেছে। এই বিধানসভায় নির্বাচন ছিল প্রথম দফায়, গত ২৩ এপ্রিল। কিন্তু তীব্র ক্ষোভ নিয়ে ভোট বয়কট করেছেন ১৬৩ নম্বর হরতান বুথের ভোটাররা। ফলে ওই বুথে ভোটদানের হার রয়েছে '০' শতাংশ।

কেন এমন সিদ্ধান্ত?

জয়পুর বিধানসভায় এবারে ফরোওয়ার্ড ব্লকের প্রার্থী ছিলেন ধীরেন্দ্র নাথ মাহাতো। তিনি ওই এলাকার প্রাক্তন বিধায়কও। bangla.aajtak.in -কে তিনি জানান, "ওই এলাকার মানুষের মানুষের মূল সমস্যা হল রাস্তা। ওখানে রিজিড হাইস্কুল মোড় থেকে হরতান পর্যন্ত যে রাস্তাটি রয়েছে, তা আর রাস্তা নেই। খানা খন্দে ভরে গিয়ে, খাল বিলের মতো হয়ে গিয়েছে। ওই রাস্তা যান চলাচলের একেবারে অযোগ্য। ফলে প্রতিবাদে ওই গ্রামের ১০০ শতাংশ মানুষ প্রতিবাদে ভোট বয়কট করেছেন।" 

ফরোওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীর অভিযোগ, "ওই এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তা করে ঠিক করার দাবি করে আসছিলেন। কিন্তু রাস্তা ঠিক না হওয়ায় ওরা এককাট্টা হয়ে ভোট বয়কট করেছে। রাস্তা ঠিক না হলে পঞ্চায়েত ভোটও বয়কট করার হুমকি দিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।"  তিনি জানান, ওই রাস্তাটি অনেকটা লম্বা। পঞ্চায়েত একা হাতে পুরো কাজটি করতে পারবে না।  

তৃণমূল প্রার্থী অর্জুন মাহাতোও  ১৬৩ নম্বর হরতান বুথে ভোট না পড়ার কথা মেনে নিয়েছেন। তবে তিনি দাবি করেছেন, ভোটের হার একেবারে ০ শতাংশ নয়। পোস্টাল ব্যালটে ওই এলাকা থেকে কিছু ভোট পড়েছে। তিনি বলেন, "ওই এলাকার মানুষের দাবি ছিল ভোটের আগেই ওই রাস্তাটি করে দিতে হবে। কিন্তু ওই রোডে কিছু জায়গা রয়েছে ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের। ফলে ওই রাস্তা তৈরিতে জটিলতা রয়েছে। বন বিভাগের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে, ওই এলাকায় রাস্তা হবে। কিন্তু কিছুটা সময় লাগবে। তবে ওই গ্রামের মানুষের দাবি, ভোটের আগেই রাস্তা করে দিতে হবে। তা না হওয়ায় ওই বুথের বাসিন্দারা ভোট বয়কট করেছেন।"

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement