
বাংলায় অ্যান্টি ইনকমবেন্সি অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা নাকি SIR? কী কারণে বাড়ল ভোটের হার? তা নিয়ে তুমুল চর্চার মধ্যে বড় দাবি করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রথম দফা ভোটের পর শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করেন শাহ। সেখান থেকে তিনি জানান, বাংলার মানুষ ভীত ছিল বলে ভোট দিতে পারত না। এবছর পেরেছে। এবার ভয়মুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে, বলে দাবি করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেখান থেকে প্রথম দফার ১৫২টা আসনের মধ্যে ১১০টিতে নিশ্চিত জয়ের দাবিও করেন।
ভোটার হার কি বিজেপির পক্ষে রয়েছে? প্রশ্নের উত্তরে শাহ জানান, "এখানে অ্যান্টি ইনকমবেন্সি চরমে রয়েছে। গতবারও ছিল। কিন্তু গতবার প্রচুর ভয় ছিল। অনেকে ভোট দিতে পারেনি। ভয়ে বেরোতে পারেনি। এবার শুরু থেকে শুদ্ধিকরণ হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীর নাম কেটেছে। নির্বাচন কমিশনও ভয়মুক্ত ভোটিংয়ের জায়গা তৈরি করে রেখেছে। মুক্তমনে ভোট হয়েছে। পরিণাম আমাদের পক্ষে রয়েছে।"
নির্বাচনের প্রথম দফায় ৯২.৮৮ শতাংশ ভোটের হারে ঐতিহাসিক নজির গড়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটারদের জন্যও বার্তা দেন অমিত শাহ। বলেন, "দেশের বৃহৎ অংশ নরেন্দ্র মোদীর বিকশিত ভারতের সঙ্গে জুড়ে গেছে। আমি মানি এই ভরসা ভোটে বদলে বিজেপির জয় করাবে। দ্বিতীয় দফার ভোটারদের বলছি, মুক্ত হয়ে, নিজের ইচ্ছায় ভোট দিন। পুরনো দিনের ভোট ভুলে যান। আগামীতে সোনার ভবিষ্যতের জন্য ভোট দান করুন। নির্বাচন কমিশন এবার খুব কড়াভাবে নজরদারি রাখছে।
বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট কঠিন হতে চলেছে? শাহ জবাব দেন, "আমাদের জন্য পুরো বাংলাই কঠিন ছিল। ৩টি সিট ছিল। এখন তো আমরা ৭৭টি আসনের পিঠে বসে আছি। এখান থেকে জয় খুবই সহজ। সরকার রাজনৈতিক দল বানায় না, জনতা বানায়।"
ঝালমুড়ি, নৌকাবিহার প্রসঙ্গে মমতার বিরোধিতায় জবাব অমিত শাহের। বলেন, "মমতার মানসিকতা এমন হয়েছে যে মোদীজি যদি বলেন, তৃণমূলকে ভোট দিন, মমতা বলবেন না, না দেবেন না, কারণ মোদীজি বলেছেন" বলতেই হাসির রোল ওঠে শাহের বৈঠকে। প্রথম দফার ভোট শান্তিপূর্ণ হলেও, দ্বিতীয় দফাতেও তা নির্বাচন কমিশন ধরে রাখতে পারে কিনা এখন তাই দেখার।