Advertisement

ক্যানিংয়ে TMC-র মহিলা নেত্রীর BJP-তে যোগদানের অভিযোগ, বাড়ি ভাঙচুর-হামলা

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সই ক্যানিংয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। নারায়ণপুরে ভাঙচুর ও রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মাখালতলা এলাকায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী রহিমা লস্কর ওরফে বেবিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ভোট মিটতেই শিবির পাল্টালেন TMC-র সংখ্যালঘু নেত্রী, ক্যানিংয়ে নতুন করে উত্তেজনাভোট মিটতেই শিবির পাল্টালেন TMC-র সংখ্যালঘু নেত্রী, ক্যানিংয়ে নতুন করে উত্তেজনা
Aajtak Bangla
  • ক্যানিং,
  • 06 May 2026,
  • अपडेटेड 3:01 PM IST


২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। সই ক্যানিংয়ে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।  নারায়ণপুরে ভাঙচুর ও রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার সকালে ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মাখালতলা এলাকায়। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রাক্তন তৃণমূল নেত্রী রহিমা লস্কর ওরফে বেবিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বেবি রাতারাতি দলবদল করে বিজেপিতে যোগ দেন। অভিযোগ উঠেছে যে, এর পরপরই তিনি ও তাঁর সমর্থকেরা বিজেপির পতাকা হাতে নিয়ে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়ান। বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বেবির নেতৃত্বে একটি দল তৃণমূল কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং ব্যাপক ভাঙচুর করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তাঁদের ওপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে মারধর করা হয় এবং একাধিক পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়, যা এলাকায় উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তোলে।

ইতিমধ্যে পুলিশ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে মিলে এলাকায়  তল্লাশি  অভিযান শুরু করেছে। এ পর্যন্ত অভিযুক্ত রহিমা লস্কর ওরফে বেবিসহ এই ঘটনায় অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়েছে। উল্লেখ্য, ঘটনার একদিন আগে নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সালাউদ্দিন সর্দারের কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল। স্থানীয়দের দাবি, সালাউদ্দিন ও বেবির মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বেবির গোষ্ঠী সালাউদ্দিন ও তাঁর সমর্থকদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে। আরও অশান্তি রোধে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন  রয়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement