Advertisement

উত্তরপ্রদেশের 'সিংঘম' IPS অজয়ের নামে অভিযোগ ফলতায়, 'শ্লীলতাহানি করেছে', দাবি মহিলার

ওই মহিলার অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে তাঁর বাড়িতে কয়েকজন প্রবেশ করে নিজেদের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বলে পরিচয় দেয়। এরপর তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়।

অজয় পাল শর্মা অজয় পাল শর্মা
Aajtak Bangla
  • ফলতা ,
  • 28 Apr 2026,
  • अपडेटेड 7:18 PM IST
  • মহিলার দাবি, তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়, চলে মারধরও
  • এমনকী শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগও এনেছেন তিনি

এবার উত্তরপ্রদেশের আইপিএস অজয় পাল শর্মা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ফলতা থানায় অভিযোগ দায়ের। এক মহিলা এই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর দাবি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মার ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার। 

ওই মহিলার অভিযোগ, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতে তাঁর বাড়িতে কয়েকজন প্রবেশ করে নিজেদের সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স বলে পরিচয় দেয়। এরপর তাঁদের হুমকি দেওয়া হয়। আদালতের কোনও নির্দেশ ছাড়া তাঁদের বাড়িতে এসেছিল সেই ব্যক্তিরা। 

মহিলার দাবি, তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়, চলে মারধরও। এমনকী শ্লীলতাহানির মতো গুরুতর অভিযোগও এনেছেন তিনি। অভিযোগ পত্রে উল্লেখ, তাঁদের সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় বিজেপিকে ভোট দিতে হবে। অন্য কোনও দলকে ভোট দিলে পরিণতি ভালো হবে না। 

এরপরই দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশের পর্যবেক্ষকের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। অভিযোগপত্রে উল্লেখ, 'ঘটনার সময় উপস্থিত প্রশাসনিক দায়িত্বে ও তদারকির বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা প্রয়োজন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পুলিশ অবজারভার, যিনি নির্বাচনের সময় দায়িত্বে ছিলেন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ার তদারকিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, তার ভূমিকা ও উপস্থিতি সম্পর্কেও তদন্ত করা উচিত।
ঘটনার সময় ও প্রেক্ষাপট বিবেচনায়, এই ঘটনা তার দায়িত্বকালীন তদারকি ও প্রভাবের অধীনে সংঘটিত হয়েছে। এর আগে তার পক্ষ থেকেও আমাদের উপর হুমকি ও চাপের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তাই এই ঘটনার নির্দেশনা, সমর্থন বা প্রভাবের ক্ষেত্রে তার ভূমিকা কী ছিল, তা নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গভাবে তদন্ত করা আবশ্যক।' 

অজয় পাল শর্মা বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসেন এক ভিডিয়োর জেরে। সোমবার ওই আইপিএসের একটি ভিডিয়ো (ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in) প্রকাশ্যে আসে। সেখানে তাঁকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। তারপরই তৃণমূল ওই অফিসারের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ আনতে শুরু করে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement