
প্রথম দফা নির্বাচনে নজিরবিহীনভাবে প্রচুর শতাংশ ভোট পড়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট হারের শতাংশ ৯০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায়। নির্বাচন শেষের আগেই বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে জনসভা থেকে বিজেপির জয়ের দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন শুভেন্দুও বড় দাবি করে বলেন, ১৫২টি আসনের নির্বাচনে বিজেপি ১২৫টা সিট পাবে। অন্যদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, আমার চোখ যদি মানুষের ভাষা বোঝে, অলরেডি আমরা জেতার জায়গায় আজকের ভোটেই। সেইসঙ্গে এবার ভোটের হার বৃদ্ধির কারণও জানান মমতা।
দিনভর তৃণমূলের ওয়ার রুমে চোখ রাখার পর বিকেলে চৌরঙ্গীতে সভা করেন মমতা। সেখান থেকে তিনি দাবি করেন, "আমার চোখ যদি মানুষের ভাষা বোঝে, অলরেডি আমরা জেতার জায়গায় আজকের ভোটেই। বাংলার মানুষ ভালো করেই জানে এই ভোট তাদের অস্তিত্বের জন্য। তাই নাকি তারা তৃণমূলকে ভোট না দিয়েছে, নাহলে তাদের সমস্ত অধিকার হারাবে।"
ভোটের হারবৃদ্ধি নিয়ে মমতা জানান, "আপনি জানেন কেন এত বিপুল সংখ্যায় মানুষ আসছেন ভোট দিতে? ভোটার তালিকায় মানুষের নাম ফিরিয়ে আনার জন্য আমি লড়াই করেছি। বাংলার মানুষ ভালো করেই জানে এই ভোট তাদের অস্তিত্বের জন্য। তারা জানে, টিএমসি-কে ভোট না দিলে তারা তাদের সমস্ত অধিকার হারাবে। এমনকি ট্রাইব্যুনালও খুব বেশি কিছু পরিষ্কার করেনি। যে বিজেপি বাংলার মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, মানুষ কেন তাদের ভোট দেবে?" সেইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি বিনা যুদ্ধে এক ইঞ্চিও জমি তিনি ছাড়বেন না।
প্রথম দফার ভোট শেষের আগে বড় দাবি করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু বলেন, "হিন্দু ঝড়। ১৫২টি আসনের মধ্যে ১২৫টিরও বেশি আসন বিজেপির।
মোদীর দাবি, "৪ মে বিজয়ের উৎসব হবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও থাকবে।' তিনি আরও দাবি করেন, এবারের নির্বাচন কোনও একক দলের লড়াই নয়, বরং বাংলার মানুষ নিজেরাই পরিবর্তনের লক্ষ্যে ভোট দিচ্ছেন। 'আমি যেখানেই যাচ্ছি, মানুষ বলছে, অনেক হয়েছে, এবার পরিবর্তন দরকার। অসম, কেরল ও পুদুচেরিতেও রেকর্ড ভোট পড়েছে।' তাঁর কথায়, 'যেখানে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে, সেখানে মানুষ পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে। ৪ মে পশ্চিমবঙ্গেও সেই ফল দেখা যাবে বলেই তিনি আত্মবিশ্বাসী।'