Advertisement

Civic Volunteers Vote Duty Ban: সিভিক ভলান্টিয়র, গ্রিন পুলিশকে ভোটে ব্যবহার নয়, কেন? জানিয়ে দিল কমিশন

পশ্চিমবঙ্গে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগেই একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন। এই যেমন তাদের পক্ষ থেকে সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়ে দিয়েছে, এই সব কর্মীদের ভোটের ঠিক তিনদিন আগেই রিজার্ভ লাইনে পাঠিয়ে দিতে হবে। এই সব কর্মীরা যাতে কোনওভাবেই নির্বাচনের কাজে না থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে জেলা প্রশাসনকে। 

সিভিক ভলেন্টিয়র, গ্রিন পুলিশকে ভোটে ব্যবহার নয়সিভিক ভলেন্টিয়র, গ্রিন পুলিশকে ভোটে ব্যবহার নয়
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 Apr 2026,
  • अपडेटेड 10:45 AM IST
  • পশ্চিমবঙ্গে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন
  • তার আগেই একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন
  • সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

পশ্চিমবঙ্গে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগেই একাধিক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কমিশন। এই যেমন তাদের পক্ষ থেকে সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ এবং গ্রিন পুলিশদের নিয়ে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়ে দিয়েছে, এই সব কর্মীদের ভোটের ঠিক তিনদিন আগেই রিজার্ভ লাইনে পাঠিয়ে দিতে হবে। এই সব কর্মীরা যাতে কোনওভাবেই নির্বাচনের কাজে না থাকে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে জেলা প্রশাসনকে। 

যদিও সিভিক থেকে শুরু করে গ্রিন পুলিশ নিয়ে এই ধরনের নির্দেশ কমিশনের ক্ষেত্রে নতুন কিছু নয়। এর আগেও একাধিবার তাদের তরফে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আর সেই ট্রেন্ড বজায় রেখে এবারও এমনই নির্দেশ দিল কমিশন। তাদের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ভোটের ঠিক তিনদিন আগে থেকেই এই সব কর্মীদের পাঠিয়ে দিতে হবে রিজার্ভ লাইনে। 

কেন এই সিদ্ধান্ত? 
এবারের ভোটকে শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। কোথাও যাতে কোনও রকম অশান্তি না হয়, মানুষ যাতে সঠিকভাবে ভোট দিতে পারে, সেই দিকটা নিশ্চিত করার সবরকম চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হচ্ছে কমিশনের তরফে। আর সেই কাজটা করতেই গিয়েই তারা সিভিক ভলান্টিয়র, ভিলেজ পুলিশ ও গ্রিন পুলিশদের ভোটের কাজে ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন। 

কমিশনের দাবি, এই কর্মীরা ভোটের কাজ করলেই সমস্যা হতে পারে। তারা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন। এমনকী এই সব কর্মীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ উঠতে পারে। তাই তাদের রিজার্ভ লাইনে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

তবে একান্তই যদি এই সব কর্মীদের ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে তাদের কোনওভাবেই পুলিশের পোশাক বা ইউনিফর্ম ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ পোশাকেই ডিউটি করতে হবে। যদিও প্রয়োজন ছাড়া এঁদের একবারেই ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছে
সিভিক ভলান্টিয়র, গ্রিন পুলিশ ও ভিজেল পুলিশকে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ বিরোধীদের। তাদের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়, এই সব কর্মীরা শাসক দল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ। তারা ভোটারদের প্রভাবিত করে। বিরোধী ভোটারদের ভোট দিতে সমস্যা করে। এমনকী বিরোধী এজেন্টদের উপর, দলীয় কর্মীদের উপর চড়াও হয়। তাই তারা বারবারই দাবি করে যেন এই ধরনের কর্মীদের ভোটের কাজে না লাগান হয়। আর সেই দাবিকে মান্যতা দিয়েই এবার ভোটের আগেই কমিশন এই সব কর্মীদের রিজার্ভ লাইনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement