Advertisement

Jhalmuri: ঝালমুড়ি বেচে সংসার চলে-কত টাকা রোজগার হয়? সত্যিটা জানালেন ঝালমুড়ি বিক্রেতা

প্রহ্লাদ জানান, প্রায়ই পুলিশ বা প্রশাসন তাঁদের ঠেলাগাড়ি তুলে নিয়ে যায়। ফলে কয়েক দিনের উপার্জন একসঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। কখনও রাতে দোকান বন্ধ করে রেখে সকালে এসে দেখেন, গাড়িটাই নেই।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 20 Apr 2026,
  • अपडेटेड 5:55 PM IST
  • ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা আর সংসারের খরচ সামলাতে ঝালমুড়ি বিক্রি, শুনতে সহজ মনে হলেও বাস্তবে তা ভীষণ কঠিন।
  • নয়ডার এক ভেলপুরি বিক্রেতা প্রহ্লাদের জীবনের গল্প সেই কঠিন বাস্তবকেই সামনে নিয়ে আসে।

ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা আর সংসারের খরচ সামলাতে ঝালমুড়ি বিক্রি, শুনতে সহজ মনে হলেও বাস্তবে তা ভীষণ কঠিন। নয়ডার এক ভেলপুরি বিক্রেতা প্রহ্লাদের জীবনের গল্প সেই কঠিন বাস্তবকেই সামনে নিয়ে আসে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর এই পেশা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই ভাবছেন, এই ব্যবসা কি সত্যিই লাভজনক? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই নয়ডার এক রাস্তার ধারের দোকানদার প্রহ্লাদের সঙ্গে কথা বলা হয়।

নয়ডা সেক্টর ১২৬-এর বাসিন্দা প্রহ্লাদ গত ১৮ বছর ধরে ভেলপুরি বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন। মধ্যপ্রদেশ থেকে ২০০৮ সালে কাজের খোঁজে এসে এই পেশাকেই বেছে নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ব্যবসা শুরু করতে খুব বেশি পুঁজি লাগে না, মাত্র ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় শুরু করা সম্ভব। তবে আয় যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা ততটা নয়।

প্রহ্লাদ মাসে গড়ে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা উপার্জন করেন। কিন্তু নয়ডার মতো শহরে শুধু ঘরভাড়াই প্রায় ৫ হাজার টাকা। স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পাঁচজনের সংসার চালাতে এই টাকায় হিমশিম খেতে হয় তাঁকে। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, 'মানুষ ভাবে এত বছর ধরে কাজ করছি, নিশ্চয়ই বাড়ি করেছি। কিন্তু বাস্তবে নিজের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোই কঠিন হয়ে যায়।'

এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঋতুভিত্তিক ওঠানামাও। গরম বা শীত, সব ঋতুতেই ঝালমুড়ির চাহিদা থাকলেও বর্ষাকালেই বিক্রি সবচেয়ে বেশি হয়। সন্তানদের পড়াশোনা সরকারি স্কুলে হওয়ায় কিছুটা খরচ বাঁচে, না হলে এই আয়ে সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে পড়ত।

তবে সবচেয়ে বড় সমস্যা প্রশাসনিক চাপ। প্রহ্লাদ জানান, প্রায়ই পুলিশ বা প্রশাসন তাঁদের ঠেলাগাড়ি তুলে নিয়ে যায়। ফলে কয়েক দিনের উপার্জন একসঙ্গে নষ্ট হয়ে যায়। কখনও রাতে দোকান বন্ধ করে রেখে সকালে এসে দেখেন, গাড়িটাই নেই।

Advertisement


 

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement