Advertisement

Ex MLA Chiranjeet Chakraborty: চিরঞ্জিত্‍ কি ভোট দিতে পারলেন? বলছেন, 'আমি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র...'

বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইভিএম বিকল হওয়ার কথা শোনা যেতে শুরু করেছে। ভোটারদের ভোগান্তির মাঝেই এই সমস্যার কারণে নিজের ভোট দিতে পারলেন না অভিনেতা ও বারাসাতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীও।

চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীচিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 29 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:52 PM IST
  • বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে।

বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শুরু হয়ে গিয়েছে। আর এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইভিএম বিকল হওয়ার কথা শোনা যেতে শুরু করেছে। ভোটারদের ভোগান্তির মাঝেই এই সমস্যার কারণে নিজের ভোট দিতে পারলেন না অভিনেতা ও বারাসাতের বিদায়ী বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তীও। বুধবার সকালে নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে গিয়েও তিনি ভোট দিতে পারেননি। তবে কিছুক্ষণ পরেই তিনি ভোট দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন।  

বুধবার সকালে চারুচন্দ্র কলেজে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যাওয়ার কথা চিরঞ্জিতের। সেই কথা মতো সস্ত্রীক ভোট দিতে আসেন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। কিন্তু ইভিএম মেশিন বিকল হওয়ার কারণে ভোট দিতে পারেননি তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ী বিধায়ক। ইভিএম বিকল প্রসঙ্গে চিরঞ্জিৎ বলেন, যান্ত্রিক গোলযোগ হতেই পারে, আমি কিছুক্ষণ পর এসে ভোট দিয়ে যাব। তিনি আরও বলেন, ভোট দেওয়া আমাক দায়িত্ব। আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। দেশ তো আমাকে উদ্ধার করতে হবে। আর আমি তো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র। কিছুটা ধারণা আছে। যান্ত্রিক গোলযোগ হলে একটু তো সময় লাগবেই।

এর কিছুক্ষণ পরই ইভিএম মেশিন ঠিক হয়ে যাওয়ার পর চিরঞ্জিৎ গিয়ে তাঁর ভোট দিয়ে আসেন। তিনি আজতক বাংলাকে জানালেন যে তিনি নির্বিঘ্নেই ভোট দিয়ে এলেন। ইভিএম মেশিন খারাপ হওয়ার জন্য তিনি সেই সময় ভোট দিতে পারেননি। তবে কিছুক্ষণ আগেই তিনি ভোট দিয়ে এসেছেন। প্রসঙ্গত, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী বারাসত কেন্দ্রের হ্যাটট্রিক করা বিধায়ক। রাজ্যে রাজনৈতিক বদলের সূচনালগ্ন থেকে যাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ারের সূত্রপাত। হ্যাটট্রিক পেরিয়ে তাঁর কাছে চতুর্থবারের প্রস্তাব পৌঁছলেও ছাব্বিশের ভোটে আর প্রার্থী হতে চাননি বারাসতের বিদায়ী তারকা বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। 

তাই সকাল থেকেই সেভাবে কোনও তাড়া ছিল না বিদায়ী বিধায়কের। কিন্তু ভোট দিতে গিয়ে এরকম পরিস্থিতি হবে তিনি বুঝতে পারেননি। সিনেজগৎ থেকে স্রেফ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় রাজনীতির মাঠে নেমে পড়া চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সাফল্যও কিন্তু যথেষ্ট নজরকাড়া। ২০১১ সালে রাজ্যের পালাবদলের সময় থেকেই তিনি সিপিএম প্রার্থীদের হারিয়ে বিধায়ক হয়েছেন। ২০১৬ ও ২০২১ সালেও বারাসতবাসী তারকা বিধায়ককে পেয়েছেন। যদিও একুশের আগেও চিরঞ্জিত ভোটযুদ্ধ থেকে সরে আসার কথা বলেছিলেন, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর উপরই ভরসা রেখে ফের প্রার্থী করেছেন। সেই ভরসার দামও দিয়েছেন চিরঞ্জিত, ভোট জিতে। তবে এবারের ভোটমহারণ থেকে দূরে তিনি।   

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement