Advertisement

West Bengal Assembly Election 2026: TMC প্রার্থী কাসেম সিদ্দিকিকে নিয়ে কেন বিক্ষোভ আমডাঙায়? 'ধর্মের ব্যবসায়ী,' অভিযোগ দলেই

কাসেম সিদ্দিকিকে প্রার্থী করায় ক্ষোভ আমডাঙ্গা অঞ্চলের তৃণমূল কর্মীদের একাংশের মধ্যে। ২০১১ সাল থেকে এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রফিকুর রহমান। তবে তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি শাসক দল। তবে এমন অবস্থায় বিদায়ী বিধায়ককের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের দাবি, এলাকায় সবসময় বিধায়ককে পাশে পাওয়া যায়। কাসেম সিদ্দিকিকে পাশে পাওয়া যাবে তো?

কাসেম সিদ্দিকি প্রার্থী হতেই ক্ষোভ আমডাঙ্গায়কাসেম সিদ্দিকি প্রার্থী হতেই ক্ষোভ আমডাঙ্গায়
জাগৃক দে
  • দত্তপুকুর,
  • 18 Mar 2026,
  • अपडेटेड 11:47 AM IST

কাসেম সিদ্দিকিকে প্রার্থী করায় ক্ষোভ আমডাঙ্গা অঞ্চলের তৃণমূল কর্মীদের একাংশের মধ্যে। ২০১১ সাল থেকে এই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রফিকুর রহমান। তবে তাঁকে এবার টিকিট দেয়নি শাসক দল। তবে এমন অবস্থায় বিদায়ী বিধায়ককের পাশেই দাঁড়াচ্ছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীরা। তাঁদের দাবি, এলাকায় সবসময় বিধায়ককে পাশে পাওয়া যায়। কাসেম সিদ্দিকিকে পাশে পাওয়া যাবে তো?

২০২১-এও প্রার্থী বদল করতে বাধ্য হয় তৃণমূল
এর আগেও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও দেখা গিয়েছিল একই দৃশ্য। সেবার মোর্তাজা হোসেনকে নিয়ে বিক্ষোভের জেরে বদল করতে হয়েছিল প্রার্থী। জিতে এসেছিলেন রফিকুর। তাও আবার ২৫,৪৮০ ভোটে। অর্থাৎ, ব্যবধান বাড়িয়ে জয় পেয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। আর এরপরেও রফিকুরকে প্রার্থী না করায় ক্ষোভ বাড়ছে। ক্ষোভ আরও বাড়ছে, কাসেমের আগের নানা বক্তব্য নিয়ে। 

কী বলছেন স্থানীয় কর্মীরা?
bangla.aajtak.in-এর পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছিল অমল কুমার বিষ্নুর সঙ্গে। তিনি বলেন, 'আমাদের কথা হচ্ছে আমডাঙ্গার কাউকে প্রার্থী করলেও সমস্যা ছিল না। এমন একজনকে দেওয়া হয়েছে, যে তাঁকে পেতে আমাদের ফুরফুরা শরিফে যেতে হবে। বিধায়ক হিসেবে রফিকুর রহমান খুবই সফল। আমাদের ইতিমধ্যেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে সাধারণ মানুষের কাছে।' মঙ্গলবার বিকেলে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হওয়ার পরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। টায়ার জ্বালিয়ে চলে অবরোধ। এ ব্যাপারে অমল বলেন, 'দেখুন আমাদের কোনও ধর্মের ব্যবসায়ীকে চাই না। কিছুদিন আগেই তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে নানা অসম্মানজনক কথা বলেছেন। আর আজ সেই প্রার্থী। কী বলব মানুষের কাছে গিয়ে?'

সোশ্যাল মিডিয়াতেও ক্ষোভ তৃণমূলের একাংশের

শোনা যাচ্ছে, আমডাঙ্গা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী বদলের জন্য আবেদন করবেন তাঁরা। সেই আবেদনে দল সাড়া দিলে ভাল, নয়ত, ইস্তফা দিতে পারেন তৃণমূলের নানা পদাধিকারী নেতা। যদিও, তৃণমূল ছাড়ার কথা এখনই ভাবছেন না অমলরা। তিনি বলেন, 'আমরা কিন্তু তৃণমূলের সঙ্গেই রয়েছি। শুধু দলের কাছে আবেদন, প্রার্থী বদল করুন। রফিকুর রহমান প্রচুর কাজ করেছেন দলমত নির্বিশেষে সবাইকে গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর জায়গায় অন্তত আমডাঙ্গার ভূমিপুত্র কাউকে টিকিট দেওয়া হোক। যাকে এলাকার মানুষ তাঁদের সুবিধা অসুবিধা বা বিধায়কের সই নিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে না হয়।'

Advertisement

সবমিলিয়ে ভোটের আগে ফের সরগরম আমডাঙ্গা। তৃণমূলের অন্দরের এই কোন্দলের মধ্যে কি অ্যাডভান্টেজ নিতে পারবে বিজেপি বা আইএসএফ? সেটাই এখন দেখার।          

Read more!
Advertisement
Advertisement