Advertisement

Chandranath Rath Murder Case Update: ভুয়ো নম্বর প্লেট, নাকি মালিকানার নথিতে জালিয়াতি? চন্দ্রনাথ খুনের তদন্তে নয়া মোড়

পুলিশি রেকর্ড বলছে, খুনে ব্যবহৃত বাইকটির (নম্বর WB44D1990) মালিক জনৈক বিভাস কুমার ভট্টাচার্য। পশ্চিম বর্ধমান আরটিও-তে নথিভুক্ত এই বাইকটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল ২০১২ সালের ৪ মে, যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। সরকারি খাতায় মালিকের ঠিকানা: কোয়ার্টার নম্বর AB 7/12, গুরুদ্বারা রোড, বার্নপুর।

ভুয়ো নম্বর প্লেট, নাকি মালিকানার নথিতে জালিয়াতি? চন্দ্রনাথ খুনের তদন্তে নয়া মোড়ভুয়ো নম্বর প্লেট, নাকি মালিকানার নথিতে জালিয়াতি? চন্দ্রনাথ খুনের তদন্তে নয়া মোড়
Aajtak Bangla
  • আসানসোল,
  • 07 May 2026,
  • अपडेटेड 6:11 PM IST

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে এবার উঠে এল আসানসোলের নাম। তবে তদন্তে নামতেই চক্ষু চড়কগাছ তদন্তকারীদের। খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত একটি মোটরবাইকের সূত্র ধরে পুলিশ হীরাপুর থানার বার্নপুরের এক ঠিকানায় পৌঁছলেও, সেখানে গিয়ে মিলল চরম ধাঁধা। নথিতে যে মালিকের নাম রয়েছে, বাস্তবে তাঁর কোনও অস্তিত্বই নেই। জাল নম্বর প্লেট নাকি ভুয়ো মালিকানা, তদন্তের অভিমুখ এখন এই বড়সড় প্রশ্নের মুখেই।

পুলিশি রেকর্ড বলছে, খুনে ব্যবহৃত বাইকটির (নম্বর WB44D1990) মালিক জনৈক বিভাস কুমার ভট্টাচার্য। পশ্চিম বর্ধমান আরটিও-তে নথিভুক্ত এই বাইকটির রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল ২০১২ সালের ৪ মে, যার মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। সরকারি খাতায় মালিকের ঠিকানা: কোয়ার্টার নম্বর AB 7/12, গুরুদ্বারা রোড, বার্নপুর। কিন্তু বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে সংবাদমাধ্যম ও পুলিশ পৌঁছতেই বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ওই কোয়ার্টারের বর্তমান বাসিন্দা ধর্মবীর কুমার, যিনি বার্নপুর ইস্কো (SAIL ISP) কারখানার এক কর্মী। তিনি সাফ জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে তিনি সপরিবারে ওই ঠিকানায় আছেন। বিভাস ভট্টাচার্য নামে কাউকে তিনি চেনেনই না। এমনকি ওই কোয়ার্টারটি তাঁকে বরাদ্দ করার আগে দীর্ঘকাল শূন্য পড়ে ছিল। ধর্মবীরবাবুর নিজস্ব একটি বাইক থাকলেও তার নম্বর সম্পূর্ণ আলাদা। তিনি বলেন, “খবরের কাগজে নিজের বাড়ির ঠিকানা দেখে আমি স্তম্ভিত। পুলিশও সকালে এসেছিল। কিন্তু আমার সাথে এই ঘটনার বা এই বাইকের কোনো সম্পর্কই নেই।”

তদন্তকারীদের অনুমান, ঘাতকরা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় খুনের ছক কষেছিল। পুলিশের নজর ঘোরাতে পরিকল্পিতভাবে জাল নথি ব্যবহার করে বাইকটি কেনা হয়েছিল কিংবা নম্বর প্লেটটি ছিল ভুয়ো। সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খুনের আগে রীতিমতো রেকি করা হয়েছিল। আততায়ীরা শুধু দুটি বাইকই নয়, একটি চারচাকা গাড়িও ব্যবহার করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বার্নপুরের ওই ‘ভুতুড়ে’ ঠিকানা এখন পুলিশের কাছে সবচেয়ে বড় রহস্য। খুনিরা কি তবে তদন্তের জাল ছিঁড়তেই আসানসোলের এই শান্ত কলোনির ঠিকানা ব্যবহার করেছিল? উত্তর খুঁজছে বিশেষ তদন্তকারী দল।

Advertisement

অন্যদিকে শিলিগুড়ি নম্বরের যে গাড়িটির খোঁজ মিলেছে। সেটি উইলিয়াম উইলিয়াম জোসেফ নামে এক ব্যক্তির। তিনি কয়েকদিন আগে গাড়িটি বিক্রির জন্য সোস্য়াল প্লাটফর্মে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর নম্বর কে-বা কারা ব্যবহার করেছে তিনি জানেন না বলে জানিয়েছেন। পুলিশ তাঁকে ফোন করে খোঁজ নিয়েছে বলে তিনি জানান।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement