
ফের উত্তপ্ত ভাঙড়। এবার তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। অভিযোগ আইএ এফ-সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কর্মীদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে আইএসএফ এবং সিপিআইএম।
পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে খবর, মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে আইএসএফ এবং সিপিআইএমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেখানে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ভাঙড়ের কাশীপুর থানা এলাকার ভুমরু গ্রামের। গ্রামের এক প্রান্তে শুক্রবার রাতে নির্বাচনী সভা ছিল আইএসএফের।
অভিযোগ সেই মিটিং থেকে ফেরার পথে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিস ভাঙচুর করে আইএসএফের কর্মীরা। এমনকি পার্টি অফিসে বসে থাকা তৃণমূলের কর্মীদের ব্যাপক মারধর করে।
অভিযোগ অস্বীকার করেছে মোর্চা তথা সিপিআইএম নেতা রশিদ গাজীর। তাঁর দাবি, নিজেদের পার্টি অফিস নিজেরাই ভেঙে আমাদের উপর দোষারোপ করা হচ্ছে। রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রেজাউল করিম। অপরাধীদের গ্রেফতার করার দাবি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য। মোতায়েন রয়েছে কাশীপুর থানার পুলিশ।
তৃণমূল প্রার্থী জানিয়েছেন, কর্মী সভা থেকে বাড়ি ফেরার পতে গোলমালের খবর পান। তাই তিনি ঠিক করেন, সেখানে যাবেন। তাঁর দাবি, সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান, ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, সংযুক্ত মোর্চার লোকজন ভাঙচুর করেছে। তাঁদের দলের কর্মী আহত হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে বাইকও। ৪ দিন পর ভোট। যারা ভাঙচুর করেছে, তাদের সঙ্গে রয়েছে সিপিআইএম।
তাঁর আরও দাবি, এলাকা তৃণমূলকে শূন্য করতে চাইছে। এ রকম দুরাশা, দুঃস্বপ্ন অনেকেই দেখছে। এই গুণ্ডামির বিরুদ্ধে এখানে বসে থাকছি। পুলিশকে বলেছি অভিযুক্তদের ধরুন। না ধরতে পারলে সরব না। এটা লজ্জার কথা এদের সঙ্গে বামপন্থীরা। মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে।
রশিদ গাজীর বক্তব্য, মিটিং করছিলাম। খবর পাই, কথা কাটাকাটি হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়। এখন নিজেরা চেয়ার ভেঙে অভিযোগ দিচ্ছে। এই ঘটনার সঙ্গে তাঁরা যুক্ত নন।