
রবিবার শীতলকুচি যাওয়ার কথা ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু শনিবার রাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়ে দিয়েছে আগামী ৭২ ঘণ্টার জন্য কোচবিহার জেলায় কোনও রাজনৈতিক দলের নেতা প্রবেশ করতে পারবেন না। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শীতলকুচি সফর কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নিয়ম যাতে কঠোর ভাবে পালন করা হয়েছে ইতিমধ্যে সেই নির্দেশ কোচবিহারের জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই আবহে কমিশন যে পক্ষপাতদুষ্ট সেই অভিযোগই ফের একবার করতে শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।
কমিশন কোচবিহারে প্রবেশ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই ট্যুইট করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি যশবন্ত সিনহা। ট্যুইটে তিনি লেখেন, "মমতার কোচবিহার যাত্রায় বাধা দিতেই নির্বাচন কমিশন নিজের গায়ে কাঁদা ছেটাল। সর্বোপরি তিনি এখনও বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি দেখাতে যাওয়া তাঁর কর্তব্য। আমরা জানি যে নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ নয়।"
যশবন্তের এই ট্যুইট রিট্যুইট করেন রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও'ব্রায়েনও। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়ও। অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীকে শাস্তি দিতে বা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানাতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ বলেও তোপ দাগেন তিনি।
এদিকে শীতলকুচিতে চার জনের মৃত্যুর খবর পেয়েই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে রেখেছিলেন রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে যাবেন তিনি। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সেই সফরসূচি বাস্তবায়িত হওয়া এখন কার্যত সম্ভব নয়।