Advertisement

Suvendu Adhikari: ছাত্র রাজনীতিতে উত্থান, বাংলার ৮০টি আসনে প্রভাব, কেমন শুভেন্দুর যাত্রাপথ

বছর ৫০ এর শুভেন্দু অধিকারী জন্ম  ১৯৭০ সালে ১৫ ডিসেম্বর। তাঁর মায়ের নাম গায়েত্রী অধিকারী ও বাবার নাম শিশির অধিকারী। রাজনীতি শুভেন্দুর প্রায় ৩০ বছর কাটিয়েছেন। নন্দীগ্রামের আন্দোলনের পরে তাঁকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। মন্ত্রীপদে থাকার সময়ে তিনি পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদের দায়িত্ব সামলেছেন।

শুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবিশুভেন্দু অধিকারী। ফাইল ছবি
মনোজ্ঞা লইয়াল
  • কলকাতা,
  • 17 Dec 2020,
  • अपडेटेड 3:36 PM IST
  • বাংলার রাজনীতিতে শুভেন্দুর প্রভাব
  • ৮০-৯০ আসনে প্রভাব রয়েছে তাঁর
  • শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবন এক নজরে

বছর ৫০ এর শুভেন্দু অধিকারী জন্ম  ১৯৭০ সালে ১৫ ডিসেম্বর। তাঁর মায়ের নাম গায়েত্রী অধিকারী ও বাবার নাম শিশির অধিকারী। রাজনীতি শুভেন্দুর প্রায় ৩০ বছর কাটিয়েছেন। নন্দীগ্রামের আন্দোলনের পরে তাঁকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। মন্ত্রীপদে থাকার সময়ে তিনি পরিবহণ, সেচ ও জলসম্পদের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০০৯ ও  ২০১৪ সালে তিনি দুবার লোকসভা আসনে জিতেছেন। তৃণমূলের বেশ কয়েকটি জেলার পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন। সেইসঙ্গে বাংলার প্রায় ৮০-৯০টি আসনে তাঁর প্রভাব রয়েছে। মেদিনীপুর জুড়ে অধিকারী পরিবারের প্রভাবে অনেকটাই।

শুভেন্দুর আবির্ভাব

ছাত্র রাজনীতি থেকে শুভেন্দুর আবির্ভাব হলেও পরবর্তীকালে মেদিনীপুর ও তার আশেপাশের জেলাতে তিনি তার ক্ষমতা ধরে রেখেছেন। তার প্রমাণ ইদানিং অরাজনৈতিক সভা গুলি থেকেই পাওয়া যায়। বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ছাড়াই সভা করেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষক শিখা মুখোপাধ্যায় জানান, শুভেন্দুর অধিকারী ৫-৬ বছর আগে যুব নেতা ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি তাঁর ভিত্তি আরও বাড়িয়ে তুলেছেন। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় না থেকেও তিনি নিজের নেতৃত্ব বাড়িয়ে তুলেছেন। শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম কিংবা হলদিয়ায় নয়, মেদিনীপুরের আশেপাশে জেলাগুলিতেও তাঁর শক্তপ্রভাব রয়েছে। এক সময়ে এই শুভেন্দুই তৃণমূলের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ সফল করে তুলেছিল। রাজনীতিতে শুভেন্দু মূল ইউএসপি হল,তাঁর প্রশংসকের সংখ্যা বেশি। তাই জন্য এখনও বিরোধী দলগুলি থেকে তাঁকে আক্রমণ করা হয় না।

নন্দীগ্রামে ভূমিকা

নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় থেকে শুভেন্দুর একটা বিরাট ভূমিকা ছিল। ২০০৭ সালে ২৫ নভেম্বর নন্দীগ্রামে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে সিপিএমের বিরুদ্ধে। সেই সময় অধিকারী পরিবার পাল্টা কর্মসূচির মূল কেন্দ্রে ছিল। দলের সঙ্গে শুভেন্দুর দূরত্ব মূলত তিনটি কারণে, প্রশান্ত কিশোরের সংস্থার দাপট দলে মেনে নিতে পারেননি তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেশ কিছু রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও সেইসঙ্গে দলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উথ্থান।

রাজনীতিতে শুভেন্দুর প্রভাব

Advertisement

ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু। তারপরে তৃণমূলে জিতে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী। সেখান থেকে কোণঠাসা হওয়ার পরে মন্ত্রিত্ব ও বিধায়ক পদত্যাগ শুভেন্দুর। তবে শুভেন্দুকে মানাতে চেষ্টাও চালিয়েছে তৃণমূল। দলের বর্ষীয়ান নেতা সৌগত রায়, একাধিক বৈঠক করেন শুভেন্দুর সঙ্গে। শেষ বৈঠকে তিনি কিছুটা আশা দেখেছিলেন। কিন্তু পরে শুভেন্দু মেসেজের পরে খালি হাতেই ফিরতে হয় তাঁকে। জল্পনা যা চলছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন তিনি। কিন্তু তাঁর প্রভাব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী পড়বে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement