Advertisement

রাজ্য়সভায় অধিবেশন চলাকালীন পদত্যাগের ঘোষণা তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর

পদত্যাগের ঘোষণা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। এদিন রাজ্যসভায় অধিবেশন চলাকালীন তিনি এই ঘোষণা করেন। সেই সময়ে বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলছিল অধিবেশনে। তবে এই ঘটনায় রাজ্যসভায় তৃণমূল বড় ধাক্কা খেল বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য আমি পদত্যাগের ঘোষণা করছি। সূত্রের খবর, তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 12 Feb 2021,
  • अपडेटेड 2:42 PM IST
  • পদত্যাগের ঘোষণা তৃণমূল সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদীর
  • রাজ্যসভার অধিবেশন চলাকালীন ঘোষণা
  • জোর জল্পনা, বিজেপিতে যোগদান নিয়ে

পদত্যাগের ঘোষণা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ দীনেশ ত্রিবেদী। এদিন রাজ্যসভায় অধিবেশন চলাকালীন তিনি এই ঘোষণা করেন। সেই সময়ে বাজেট নিয়ে বিতর্ক চলছিল অধিবেশনে। তবে এই ঘটনায় রাজ্যসভায় তৃণমূল বড় ধাক্কা খেল বলে মনে করা হচ্ছে। এদিন দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, বাংলার উন্নয়নের জন্য আমি পদত্যাগের ঘোষণা করছি। সূত্রের খবর, তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। তবে এখনও এই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। কিংবা বিজেপির তরফ থেকেও তেমন কিছু দীনেশ ত্রিবেদীর বিষয়ে বলা হয়নি। এক সময়ে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ফলে আচমকা তাঁর এই পদত্যাগের ঘোষণা নিয়ে রাজনৈতিক মহড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।

পদত্যাগ দীনেশের

এদিন দীনেশ বলেন, আমি আমার মনের কথা বলছি, আমি আর চুপ থাকতে পারছি না। আমি তাই ইস্তফা দিচ্ছি। ওখানে আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। রেলমন্ত্রী থাকার সময়ে দলের থেকে দেশকে এগিয়ে রেখেছিলেন সেটাও তিনি এদিন উল্লেখ করেন। বাংলার মানুষের কাছে গিয়ে দাঁড়াব আমি। পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা ছড়াচ্ছে। আমি আর সহ্য করতে পারছি না। সবাইকে কখনও না কখনও নিজের আত্মার কথা শুনতে হয়। কয়েকদিন আগে নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রশংসা করেন তিনি।

 

সৌগত রায় বললেন, এটা অনেক দুঃখজনক। সমস্যা থাকলে আগে থেকে জানানো প্রয়োজন ছিল। লোকসভায় উনি হেরে যাওয়ার পরে দল তাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে। উনি এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় দুঃখিত।

বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ,সম্ভবত তিনি বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন কয়েকদিনের মধ্যে। তবে এবিষয়ে এখনও স্পষ্ট কিথু জানানি। লোকসভা নির্বাচনে তিনি ব্যারাকপুরে বিজেপির অর্জুন সিংহের কাছে হেরেছিলেন। তারপরে তাকে রাজ্যসভায় পাঠায় তৃণমূল।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement