
Jokes In Bengali: হাসলে ইতিবাচক পরিবেশ বজায় থাকে। একজন মানুষ যখন স্ট্রেস থেকে দূরে থাকে, তখন মানসিক রোগও কাছে আসে না। খিলখিল করে হাসা হল সুস্বাস্থ্যের রহস্য। চলুন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল জোকস পড়া যাক।
> বউ: আমি তোমার নীল শার্ট ইস্ত্রি করছিলাম, তখন শার্টটা এক জায়গায় একটু পুড়ে গেছে।
স্বামী: কোনো সমস্যা নেই, আমার এরকম আরেকটি নীল শার্ট আছে।
বউ: আমি জানতাম, তাই ওই শার্টের কাপড় কেটে এই পোড়া শার্টে যোগ করেছি!
> রঞ্জু রাগ করে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছে। কিছুদিন পর সে একটি ছাগল নিয়ে বাড়ি ফিরল।
এটা দেখে রঞ্জুর স্ত্রী বললো, ওই বদমাশটাকে নিয়ে এলে কেন?
রঞ্জু: বদমাশ বলছ কেন, দেখছ না এটা ছাগল!
রঞ্জুর স্ত্রীর: আমি তো ছাগলকেই জিজ্ঞেস করেছি।
> বস: এ কী! আজ অফিসের হিসাব মেলানোর শেষ তারিখ আর ক্যাশিয়ার নেই? কোথায় গিয়েছেন তিনি?
কেরানি: তিনি গিয়েছেন জুয়া খেলতে, স্যার।
বস: জুয়া খেলতে? আমি কি ঠিক শুনছি?
কেরানি: হ্যাঁ স্যার। যাওয়ার আগে তিনি বলে গিয়েছেন, ক্যাশ মেলানোর এটাই তার শেষ সুযোগ।
> এক ব্যক্তি হোটেলে খেতে বসে বিরক্ত হয়ে বেয়ারাকে ডাকলেন।
ব্যক্তি: এই যে, শোন এ কী খাবার দিয়েছো?
বেয়ারা: কেন স্যার! কোনও সমস্যা হয়েছে?
ব্যক্তি: সমস্যা মানে ! আরে এ খাবার তো একেবারে গাধার খাদ্যের অযোগ্য!
বেয়ারা: গাধার যোগ্য খাদ্য তো এই হোটেলে পাবেন না স্যার। আপনাকে না দিতে পারার জন্য দুঃখিত।
> জন্মদিনে একজন শতায়ু বৃদ্ধাকে জিজ্ঞেস করা হল তার এই দীর্ঘ জীবনের গোপন রহস্য কী?
বৃদ্ধা বললেন, এখনই ঠিক বলা যাচ্ছে না। একটা ভিটামিন পিল কোম্পানি, একটা আয়ুর্বেদ কোম্পানি আর একটা ফ্রুট জুস ফ্যাক্টরির সঙ্গে দরদাম চলছে।
>একবার ৫ জন ডাক্তার মিলে একটা ঘোড়ার অপারেশন করলেন।
অপারেশনের পর সিনিয়র ডাক্তার কম্পাউন্ডারকে বললেন- দেখ পেটে কোন টুল আছে কি না,
কম্পাউন্ডার বললেন- সব টুল আছে, কিন্তু ডাঃ গুপ্তকে আর দেখা যাচ্ছে না!
(Disclaimer: এই বিভাগের জন্য জোকস হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা জনপ্রিয় বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে। এদের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র লোকেদের একটু আনন্দ দেওয়া… আমাদের উদ্দেশ্য নয় কাউকে উপহাস করা, অবজ্ঞা করা।)