
Jokes: হাসি-ঠাট্টা করা শুধুমাত্র আশেপাশের পরিবেশকে হালকা এবং মনোরম রাখে না, তবে ব্যক্তির মনও শান্ত ও খুশি থাকে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরাও সবসময় হাসতে পরামর্শ দেন। আপনিও যদি নিজেকে ফিট রাখতে চান, তাহলে প্রতিদিন মজার জোকস পড়ুন।
> বস: তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন, আশিকের খুব জ্বর হয়েছে। সে আজ অফিসে আসতে পারবে না?
ওপাশ থেকে: জ্বি বস!
বস: আপনি কে বলছেন?
এপাশ থেকে: আমার আব্বু বলছি।
> লাইলি: আমি তোমার প্রোফাইল পিকচারে হার্ট দিইনি, রাগ করেছো নাকি জান?
মজনু: রাগ কেন করবো? আমি তো তোমার হার্টটাই চাই, ইমোজি নয়!
লাইলি: ও হো! তাহলে রিয়েল হার্ট দিচ্ছি না, ফেসবুকেই ম্যানেজ করো!
> দুই বন্ধু বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। একদিন তারা সারাজীবন কী করেছে, কী পেয়েছে, জীবনের ব্যর্থতা-অর্জন নিয়ে গল্প করছে। এক বন্ধু অন্যজনকে বলছে—
১ম বন্ধু: আচ্ছা বল তো, পৃথিবীর সবচেয়ে পাতলা বইয়ের নাম কী?
২য় বন্ধু: জানি না তো, কোনটা?
১ম বন্ধু: নারী সম্পর্কে পুরুষ যা জানে।
> শিক্ষক: তুহিন বলো তো, পৃথিবীর সবচেয়ে বোকা প্রাণির নাম কী?
তুহিন: স্যার, গরু হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বোকা প্রাণি।
শিক্ষক: কীভাবে?
তুহিন: স্যার, গরু নিজে জল খায়, আর দুধ দেয় মানুষকে।
> বিউটি পার্লারের গেটের পাশে সাইনবোর্ড লাগানো—
‘এই পার্লারের গেট দিয়ে কোনো সুন্দরী মেয়েকে বের হতে দেখলে মনের ভুলেও শিস বাজাবেন না।
কেননা সে কিন্তু আপনার ঠাকুমাও হতে পারে!’
> মা মশা বলছে তার সন্তানদের—
মা: তোমরা যদি সারাদিন ভালো আচরণ করো, তাহলে রাতে তোমাদের পিকনিকে নিয়ে যাব।
বাচ্চা: পিকনিকে? কোথায় হবে সেটা?
মা: পাশের জঙ্গলে। একদল ট্যুরিস্ট এসেছে। সারারাত কাটাবে ওখানে।
(Disclaimer: এই বিভাগের জন্য জোকস হোয়াটসঅ্যাপ এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা জনপ্রিয় বিষয়বস্তু থেকে নেওয়া হয়েছে। এদের উদ্দেশ্য কেবলমাত্র লোকেদের একটু আনন্দ দেওয়া… আমাদের উদ্দেশ্য নয় কাউকে উপহাস করা, অবজ্ঞা করা।)