Advertisement

তারাতলায় কত মৃত্যু, কতজন স্তূপে আটকে? বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি বলেন, 'সকাল থেকেই মন্ত্রীরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। প্রশাসন, এনডিআরএফ এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাগুলি একযোগে কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ১৫ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমাদের কাছে খবর রয়েছে, এখনও ১২ থেকে ১৮ জন ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকতে পারেন।'

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীমুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 24 Jun 2026,
  • अपडेटेड 5:39 PM IST
  • প্রায় পাঁচ ঘণ্টা কেটে গেলেও উদ্ধারকাজ এখনও প্রাথমিক স্তরেই আটকে রয়েছে।
  • ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে থাকা মানুষদের বের করে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে সেনা, এনডিআরএফ এবং প্রশাসনের একাধিক দল।

প্রায় পাঁচ ঘণ্টা কেটে গেলেও উদ্ধারকাজ এখনও প্রাথমিক স্তরেই আটকে রয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে থাকা মানুষদের বের করে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে সেনা, এনডিআরএফ এবং প্রশাসনের একাধিক দল। তবে উদ্ধারকাজের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বিশাল লোহার বিম। ধসে পড়া কাঠামোর ভারী লোহার অংশগুলির নীচে চাপা পড়ে রয়েছে একাধিক দেহ।

বিকেলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তিনি বলেন, 'সকাল থেকেই মন্ত্রীরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। প্রশাসন, এনডিআরএফ এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থাগুলি একযোগে কাজ করছে। এখনও পর্যন্ত তিন জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ১৫ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমাদের কাছে খবর রয়েছে, এখনও ১২ থেকে ১৮ জন ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকতে পারেন।'

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, 'আমি ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছি। ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়ে আগামীকাল সকাল ১১টায় বিস্তারিত জানানো হবে। যেহেতু বিধানসভার অধিবেশন চলছে, তাই এখনই এ বিষয়ে কিছু বলতে চাই না।'

উদ্ধারকাজে যুক্ত কলকাতা পুলিশ ও দমকল বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা নিয়ে কলকাতা পুলিশ ও দমকল কর্মীরা যদি দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু না করতেন, তাহলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত।'

তিনি আরও জানান, এনডিআরএফের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ভারতীয় সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে যোগ দেয়। এখনও পর্যন্ত মোট ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ১৮ জন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যাঁদের কয়েকজনকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, উদ্ধারকাজে বর্তমানে ২০টি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন রয়েছে। তিনি বলেন, 'আমরা কিছুটা পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছি, কারণ উদ্ধারকারী দলগুলিকে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন ছিল।'

এনডিআরএফ সূত্রে পাওয়া তথ্যের উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা কয়েকজনের সঙ্গে উদ্ধারকারী দলের যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয়েছে। ফলে তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

তিনি আরও জানান, আগামীকাল বিধানসভার অধিবেশন শুরু হলে এই দুর্ঘটনা নিয়ে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হবে।

Read more!
Advertisement
Advertisement