Advertisement

বাংলায় ৫০০ কোম্পানি জওয়ান থাকছে আরও একমাস, নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সূত্র অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোট ৫০০টি কোম্পানি CAPF রাজ্যে মোতায়েন থাকবে, যা ৫০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ নিরাপত্তা কর্মীর সমান। সাধারণভাবে একটি CAPF কোম্পানিতে ১০০ থেকে ১৫০ জন জওয়ান থাকেন।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 5:44 PM IST
  • সূত্র অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
  • মোট ৫০০টি কোম্পানি CAPF রাজ্যে মোতায়েন থাকবে, যা ৫০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ নিরাপত্তা কর্মীর সমান।

পশ্চিমবঙ্গে ভোট-পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF)-এর প্রায় ৭৫,০০০ জওয়ান মোতায়েন থাকবে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

সূত্র অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মোট ৫০০টি কোম্পানি CAPF রাজ্যে মোতায়েন থাকবে, যা ৫০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ নিরাপত্তা কর্মীর সমান। সাধারণভাবে একটি CAPF কোম্পানিতে ১০০ থেকে ১৫০ জন জওয়ান থাকেন।

সরকারি চিঠিতে জানানো হয়েছে, ভোট-পরবর্তী বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাহিনীর মেয়াদ আরও দীর্ঘ করার অনুরোধ করেছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সেই অনুরোধ বিবেচনা করেই মোতায়েনের মেয়াদ ২০ জুন পর্যন্ত বাড়িয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব এবং পুলিশের মহানির্দেশককে (DGP) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে বাহিনীর থাকা-খাওয়া, রসদ এবং অন্যান্য প্রশাসনিক সুবিধা সুষ্ঠুভাবে নিশ্চিত করা যায়।

বাহিনী বণ্টনের ক্ষেত্রে জানানো হয়েছে, মোট ৫০০টি কোম্পানির মধ্যে CRPF-এর ২০০টি, BSF-এর ১৫০টি এবং CISF, ITBP ও SSB-এর ৫০টি করে কোম্পানি থাকবে।

রাজ্য প্রশাসনের এক বরিষ্ঠ আধিকারিক জানিয়েছেন, ভোট-পরবর্তী সময়েও কিছু স্পর্শকাতর এলাকায় শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই বাহিনী মোতায়েন রাখা হচ্ছে। রাজ্য পুলিশ ও CAPF যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলেও তিনি জানান।

অন্যদিকে, নির্বাচনী প্রচারের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, ভোটের পরও প্রায় ৬০ দিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হতে পারে, যাতে কোনও ধরনের অশান্তি না ঘটে।

উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে ৪ মে গণনা সম্পন্ন হয়। এরপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নজরদারি জারি রেখেছে প্রশাসন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement