Advertisement

বাইপাসের ধারে TMC-র সুবিশাল পার্টি অফিসে পাকাপাকি তালা? মন্টুর আর সহ্য হচ্ছে না

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী মনোতোষ সাহা, ওরফে মন্টু সাহা, গত মে মাসেই মেট্রোপলিটন এলাকার তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয় খালি করার নোটিস দিয়েছিলেন। বাইপাস ধাবার পিছনে অবস্থিত ওই বহুতল ভবনের মালিক তিনি নিজেই। দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবনের একটি অংশে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজকর্ম চলত।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:55 AM IST
  • রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর বদলে যাচ্ছে বহু সমীকরণ।
  • তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন দলের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বহু ব্যক্তি ও সমর্থক।

রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পর বদলে যাচ্ছে বহু সমীকরণ। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছেন দলের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বহু ব্যক্তি ও সমর্থক। কেউ দল ছেড়েছেন, কেউ প্রকাশ্যে বিদ্রোহের পথ বেছে নিয়েছেন, আবার কেউ নিজেদেরই ‘আসল তৃণমূল’ বলে দাবি করছেন। এরই মধ্যে একের পর এক নেতা-কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেফতারি এবং জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনায় চাপে রয়েছে দল। সেই আবহেই তৃণমূলের জন্য এল আরও একটি অস্বস্তিকর খবর।

দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একসময়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ব্যবসায়ী মনোতোষ সাহা, ওরফে মন্টু সাহা, গত মে মাসেই মেট্রোপলিটন এলাকার তৃণমূলের অস্থায়ী কার্যালয় খালি করার নোটিস দিয়েছিলেন। বাইপাস ধাবার পিছনে অবস্থিত ওই বহুতল ভবনের মালিক তিনি নিজেই। দীর্ঘদিন ধরে ওই ভবনের একটি অংশে তৃণমূলের সাংগঠনিক কাজকর্ম চলত।

সূত্রের খবর, ভবন খালি করার জন্য দু’মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। যদিও রাজনৈতিক মহলে তখন থেকেই জল্পনা চলছিল, নির্ধারিত সময়ের আগেই হয়তো অফিস সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হল। মঙ্গলবার রাতে ভবনের দুটি তলা পুরোপুরি খালি করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকি অংশ থেকেও দ্রুত সরঞ্জাম ও দফতর সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

এই অস্থায়ী কার্যালয়ের ইতিহাসও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তপসিয়ার পুরনো ‘তৃণমূল ভবন’ আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নেন। নতুন করে কর্পোরেট ধাঁচে দলীয় সদর দফতর গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পুরনো কার্যালয় থেকে সাময়িকভাবে অন্যত্র সরতে হয় দলকে। সেই সময়ই মেট্রোপলিটনের এই বহুতল ভবনকে অস্থায়ী পার্টি অফিস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

দক্ষিণ কলকাতার ডেকোরেটিং ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মন্টু সাহার উত্থানও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয়। তৃণমূলের বিভিন্ন কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ এবং অনুষ্ঠানে তাঁর সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব বাড়ছে বলেই ইঙ্গিত মিলছিল। দলীয় অনুষ্ঠানে পরিষেবা দেওয়া বন্ধ করা থেকে শুরু করে ভবন খালি করার নোটিস, সব মিলিয়ে সেই সম্পর্কের অবনতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

Advertisement

তবে গোটা বিষয় নিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মনোতোষ সাহা। ফলে তাঁর এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা অব্যাহত।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement