Advertisement

Abhishek Banerjee Saayoni Ghosh: ৭ ট্যাঙ্ক লেনের বাসিন্দা অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী সায়নী কে? দেখালেন TMC সাংসদ

৭ ট্যাঙ্ক লেনের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সায়নী ঘোষ। তাঁরা কারা? এই নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এবার ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের ভিডিও পোস্ট করলেন তৃণমূলের যাদবপুরের সাংসদ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষের নামে ফ্ল্যাট, তাঁরা আসলে কে?অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও সায়নী ঘোষের নামে ফ্ল্যাট, তাঁরা আসলে কে?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 21 May 2026,
  • अपडेटेड 7:47 PM IST
  • ৭ ট্যাঙ্ক লেনের ফ্ল্যাটের বাসিন্দা অভিষেক ও তাঁর স্ত্রী সায়নী
  • বিতর্কের মাঝেই এবার ওই ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের ভিডিও পোস্ট
  • তৃণমূলের যাদবপুরের সাংসদ ঠিক কী বলছেন?

বঙ্গ BJP ৪৩টি সম্পত্তির একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। যেগুলি তাদের দাবি অনুযায়ী, TMC সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই সম্পত্তিগুলির মধ্যে একটির যৌথ মালিক সায়নী ঘোষ নামে জনৈকা। তবে TMC-র যাদবপুরের সাংসদ সায়নীর দাবি, এই সায়নী তিনি নন। কেবলই নেমসেক। এবার নিজের যুক্তির সপক্ষে প্রমাণও পেশ করলেন তিনি। 

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সায়নী ঘোষের নামে যৌথ মালিকানার যে ফ্ল্যাটের ঠিকানা ভাইরাল হয়েছে, তা হল, ১৯ডি ৭ নম্বর ট্যাঙ্ক লেন। তৃণমূলের যাদবপুরের সাংসদ তাঁর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যৌথ মালিকানাধীন সম্পত্তি থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে কুণাল ঘোষের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, ওই উল্লিখিত ঠিকানায় সত্যি সত্যিই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সায়নী ঘোষ থাকেন, তবে তাঁরা তৃণমূলের সাংসদ নন।

সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, 'দু'জন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসার রাজনীতির একটি স্পষ্ট উদাহরণ।' বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে তিনি লেখেন, 'সত্যমেব জয়তে। কলকাতা ৩০, ৭ নম্বর ট্যাঙ্ক লেনের ১৯ বি ঠিকানার বাড়িতে পৌঁছে KMC বিল্ডিং ডিপার্টমেন্টের কর্তারা দেখতে পান, বেসরকারি কর্মচারী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী, স্কুল শিক্ষিকা সায়নী ঘোষ তাঁদের দুই মেয়েকে নিয়ে থাকেন।'

ওই দম্পতির ছবি পোস্ট করে সায়নী আরও বলেন, '৩ বছর আগে তাঁরা যৌথ মালিকানায় অ্যাপার্টমেন্টটি কিনেছিলেন এবং এর দখল সংক্রান্ত বৈধ কাগজপত্রও জমা দিয়েছিলেন। পরিদর্শনের সময়ে KMC কর্তারা এবং স্থানীয় পুলিশকে ধৈর্য ধরে সহযোগিতা করা সত্ত্বেও জল্পনা ও কুৎসা রটানোর অভিযান চলেছে।' হতাশ সায়নীর বক্তব্য, 'এটি নিছকই একটি কাকতালীয় ঘটনা।'

TMC সাংসদ বলছেন, 'এই বিতর্কের জেরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যে পরিমাণ হয়রানি করা হচ্ছে, তা দুই রাজনীতিবিদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত ভাবমূর্তি নষ্ট করার একমাত্র উদ্দেশ্য। এটা প্রতিহিংসার রাজনীতি ছাড়া আর কিছু নয়।'

তবে উল্লেখ্য, সায়নী ঘোষ তাঁর পোস্টে যে সম্পত্তির ঠিকানা উল্লেখ করেছেন, তা ১৯বি ৭ ট্যাঙ্ক লেন। কিন্তু BJP-র প্রকাশিত তালিকায় এই অ্যাপার্টমেন্টটির ঠিকানা ১৯ডি ৭ ট্যাঙ্ক লেন। 

Advertisement

সায়নী ঘোষ বলেন, 'ভোটারদের জানাতে চাই, আমার নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের বিবরণ ঘোষণা করা হয়েছে। যাঁরা আগ্রহী, তাঁরা যেন নথিগুলি যাচাই করে দেখেন। জেনে রাখুন, আমি এক ইঞ্চিও পিছু হটব না। এই ব্যাপারটা এমনি এমনি ছেড়ে দেব না। যাঁরা মিথ্যা খবর ছড়াচ্ছে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘোষ কারও চাপে মাথা নত করবে না।'


 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement