Advertisement

Abhishek Banerjee: 'ভয়ের রাজনীতি...' মুকুন্দপুরে হুমায়ুন, উপাসনাদের উপর হামলা নিয়ে পুলিশকে টার্গেটে অভিষেকের

TMC BJP Clash: মুকুন্দপুরে মমতাপন্থী তৃণমূলের উপর হামলার অভিযোগ এনে সরব হলেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। উপাসনার জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে প্রাক্তন IPS হুমায়ুন কবীরের উপর নৃশংস হামলা হয়েছেন বলে দাবি করেন TMC সাংসদ।

TMC নেতা হুমায়ুন কবীরের উপর হামলা নিয়ে ক্ষোভ অভিষেকেরTMC নেতা হুমায়ুন কবীরের উপর হামলা নিয়ে ক্ষোভ অভিষেকের
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 23 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:46 AM IST
  • TMC নেতা হুমায়ুন কবীরের উপর হামলা নিয়ে ক্ষোভ অভিষেকের।
  • এখনও বঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমার কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না।
  • মুকুন্দপুরে TMC ও BJP-র ভয়াবহ সংঘর্ষে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

বাংলায় সরকার বদলের পর প্রায় সাড়ে চার মাস অতিক্রান্ত। কিন্তু এখনও বঙ্গে রাজনৈতিক অস্থিরতা কমার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। মঙ্গলবার রাতে মুকুন্দপুরে TMC ও BJP-র ভয়াবহ সংঘর্ষে ফের উত্তেজনা ছড়িয়েছে। যদিও সংঘর্ষের বদলে হামলার অভিযোগ করছে মমতাপন্থী TMC।

এরইমধ্যে গতকাল রাতের ঘটনা ও রাজ্যে ক্রমবর্ধমান হিংসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। TMC নেতা হুমায়ুন কবীরের উপর  হামলার কথা উল্লেখ করে তিনি পুলিশ প্রশাসনের উপরও প্রশ্ন তুলেছেন।

অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় দাবি করেছেন, ঘটনার সময় থানার ঠিক বাইরেই প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক হুমায়ুন কবীরের উপর নৃশংস ভাবে হামলা চালানো হয়। অভিষেকের প্রশ্ন,  ‘যখন নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য গঠিত একটি প্রতিষ্ঠানের দোরগোড়ায় হামলা হতে পারে, তখন সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার জন্য আর কে থাকে?’ 

অভিষেকের দাবি, "আজ যা ঘটেছে তা কেবল একটি রাজনৈতিক সংঘাত নয়, বরং সহিংসতা, ভীতি প্রদর্শন এবং প্রশাসনিক ব্যর্থতার এক ভয়াবহ প্রদর্শনী।" তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, "এদিন তাঁর দলের কর্মীরা একটি শান্তিপূর্ণ মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখনই তাঁদের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। " এপ্রসঙ্গে উপাসনা চৌধুরীর উপর হামলার কথাও উল্লেখ করেন অভিষেক।
 

উপাসনাকে টার্গেট করার দাবি

ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ দাবি করেন, উপাসনা চৌধুরীকে বারবার রাজনৈতিক হিংসার শিকার হতে হচ্ছে। তাঁর পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে, তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে এবং তাঁর বাড়িতে ভারী পাথর ছোড়া হয়েছে, সেই সময় তাঁর বয়স্ক বাবা-মা ভেতরেই ছিলেন। ওর বাবা ব্রেন স্ট্রোকের রোগী, এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছেন। 

অভিষেক বলেন, দলমত নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিককে রক্ষা করা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও প্রশাসনের দায়িত্ব। হিংসার ঘটনার সামনে নীরব থাকা নিরপেক্ষতা নয়, বরং এটা একটা গুরুতর অপরাধ।

'ভয়ের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠতে হবে'

Advertisement

অভিষেক বলেন, "ভয়ের রাজনীতির চেয়ে বাংলা আরও ভালো কিছু পাওয়ার যোগ্য। বাংলার এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রয়োজন, যেখানে বিরোধীরা আক্রমণের ভয় ছাড়াই ভিন্নমত প্রকাশ করতে পারবে, কর্মীরা নির্ভয়ে মিছিল করতে পারবে এবং পরিবারগুলো শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।" তাঁর বক্তব্য, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শ পোষণ করলেই তাঁকে আক্রমণ করার লাইসেন্স পাওয়া যায় না।
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement