Advertisement

Abhishek Banerjee Santiniketan: 'কোনটা অবৈধ অংশ?', শান্তিনিকেতনে নোটিশ নিয়ে প্রথম প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

'শান্তিনিকেতন' নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভার পাঠানো নোটিসে তাঁর বাসভবনের একটি অংশকে 'অবৈধ নির্মাণ' বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

বললেন, 'আগে নির্দিষ্টভাবে জেনে আসুন কোন অবৈধ অংশ। যে অবৈধ অংশ ওরা মাপ করে দেবে, তার উত্তর আমি দিয়ে দেব।'বললেন, 'আগে নির্দিষ্টভাবে জেনে আসুন কোন অবৈধ অংশ। যে অবৈধ অংশ ওরা মাপ করে দেবে, তার উত্তর আমি দিয়ে দেব।'
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 22 May 2026,
  • अपडेटेड 7:49 PM IST
  • 'শান্তিনিকেতন' নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
  • নোটিসে তাঁর বাসভবনের একটি অংশকে 'অবৈধ নির্মাণ' বলে দাবি করা হয়েছে।
  • বললেন, 'আগে নির্দিষ্টভাবে জেনে আসুন কোন অবৈধ অংশ।'

'শান্তিনিকেতন' নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরসভার পাঠানো নোটিসে তাঁর বাসভবনের একটি অংশকে 'অবৈধ নির্মাণ' বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বললেন, 'আগে নির্দিষ্টভাবে জেনে আসুন কোন অবৈধ অংশ। যে অবৈধ অংশ ওরা মাপ করে দেবে, তার উত্তর আমি দিয়ে দেব।'

উল্লেখ্য, এদিন কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে কলকাতা পুরনিগমের কাউন্সিলরদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ছিল। সূত্রের খবর, সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের কাজে সমস্যার অভিযোগ উঠছিল। সেই আবহেই এই বৈঠক।

কলকাতা পুরনিগমে মোট ১৪৪টি আসন। তার মধ্যে বর্তমানে ১৩৬টিই তৃণমূলের দখলে। এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১১০ জন কাউন্সিলর। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংগঠন ধরে রাখতে চাইছে TMC। পুরসভার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতেই এই বৈঠক।

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকরা 'শান্তিনিকেতন' এবং কালীঘাটের আরও একটি বাড়িতে পরিদর্শনে যান। অভিযোগ, সেখানে কিছু অংশে নিয়ম বহির্ভূত নির্মাণ হয়েছে। পুরনো কাঠামো ভেঙে নতুন নির্মাণ করা হয়েছে।

পুরসভা সূত্রে খবর, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইনের ৪০০(১) ধারায় নোটিস পাঠানো হয়েছে। হরিশ মুখার্জি রোডের ১৮৮এ নম্বর ঠিকানার 'শান্তিনিকেতন' এবং ১২১ কালীঘাট রোডের একটি বাড়িতে এই নোটিস দেওয়া হয়েছে। কালীঘাটের বাড়িটি অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। সেই কারণে তাঁর নামেই নোটিস পাঠানো হয়েছে।

অন্য দিকে, 'শান্তিনিকেতন' বাড়িটিকে কখনও নিজের সম্পত্তি হিসেবে সরকারি নথিতে দেখাননি অভিষেক। নির্বাচনী হলফনামায় বাড়িটি 'লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস' সংস্থার দেওয়া আবাসন বলে উল্লেখ করেছিলেন। ফলে নোটিস পাঠানো হয়েছে সংস্থার নামেই।

পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে অভিযুক্ত অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই পদক্ষেপ করবে।

এই অভিযোগ নিয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তৃণমূল একাধিক নেতার সম্পত্তি খতিয়ে দেখা হবে। তারপরেই পুরসভার এই পদক্ষেপ। স্বাভাবিকভাবেই, গোটা বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা তুঙ্গে।

Advertisement

তবে অভিষেকের বক্তব্য, কোন অংশকে অবৈধ বলা হচ্ছে, আগে তা স্পষ্ট করতে হবে।  

উল্লেখ্য, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন আইন, ১৯৮০-এর ৪০০(১) ধারা অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ বা নিয়ম ভেঙে অতিরিক্ত অংশ তৈরি হলে পুরসভা তা ভাঙার নোটিস দিতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে লিখিত নোটিস দিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব বা পদক্ষেপের সুযোগ দেওয়া হয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement