
এখনও পর্যন্ত অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অফিশিয়াল পোর্টাল চালু হয়নি। বিভ্রান্তি দূর করতে সাফ জানিয় দিলেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিলেন, ১ জুন থেকে কারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করবেন এবং কারা পাবেন না।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিলে কি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার মিলবে?
অগ্নিমিত্রা পল এদিন বলেন, 'এতদিন যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ বা ১৭০০ টাকা পেতেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টগুলিই অটোমেটিক ট্রান্সফার হয়ে যাবে। তাঁরাই ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা করে পাবেন।'
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলেও কি ফর্ম ফিলআপ করতে হবে?
যাঁরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাঁদের নতুন করে কোনও ফর্ম ফিলআপ করতে হবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য। সরাসরি সেই অ্যাকাউন্টেই ৩ হাজার টাকা পাবেন।
কারা ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন না?
অগ্নিমিত্রা পল খোলসা করে বলেন, 'যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এতদিন পাননি, তা যে কোনও কারণেই হোক কিংবা ওই প্রকল্পের টাকা নেননি, তাঁরাও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন। তার জন্য নতুন করে আবেদন করতে হবে। সেই জন্যই আমরা পোর্টাল চালু করব। এখনও অফিশিয়াল পোর্টাল চালু হয়নি। অনেক জায়গায় বলা হচ্ছে পোর্টাল চালু হয়ে গিয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। পোর্টাল চালু হলে আমরাই জানিয়ে দেব।' এরপরই মন্ত্রীর সংযোজন, 'পোর্টাল চালু হলে নতুন করে আবেদন করা যাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য। তারপর আমরা আবেদন যাচাই করে দেখব। এক দু'মাসের মধ্যে বাজেট হলে তারপর তাঁরাও পাবেন ৩ হাজার টাকা।'
কারা পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার?
> যাঁরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছিলেন, তাঁরা সবাই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার পাবেন। ১ জুন থেকে প্রতি মাসে মহিলারা তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।
> যাঁরা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্প করেননি, তাঁরাও ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। যাঁরা আবেদন করবেন তাঁদের বয়স হতে হবে ২৫-৬০ বছরের মধ্যে।
কারা এই প্রকল্পের টাকা পাবেন না?
> ৯১ লক্ষ নাম পর্যালোচনা করা হবে। তাঁদের নাম আপাতত বাদ যাচ্ছে না। তবে কেউ মারা গিয়েছেন, কেউ যদি বাংলাদেশের নাগরিক হন, তাঁরা কোনও ভাবেই এই সুবিধা পাবেন না। যাঁদের নাম SIR থেকে বাদ পড়েছে, তাঁরা নাগরিক কি না সেটা যাচাই করে দেখা হবে।
> কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের স্থায়ী চাকরি করলে মিলবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা।
> পেনশনভোগী হলেও এই সুবিধা মিলবে না।
> রাজ্য সরকারের অনুমোদিত শিক্ষক, অশিক্ষক পদে কর্মরত থাকলে পাবেন না।
> পঞ্চায়েত কর্মীও পাবেন না।
> আয়কর দিলে তিনিও পাবেন না।