Advertisement

শুরুতেই ফুরোচ্ছে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ ও ‘অন্নপূর্ণা’র ফর্ম, জনকল্যাণ শিবিরে হিমশিম পুর আধিকারিকরা

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং আবেদনপত্র বিতরণের উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোতেই শুরু হয়েছে ‘জন কল্যাণ শিবির’। পুরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ শিবির চলবে বুধবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকছে ক্যাম্পগুলি।

ফাইল ছবিফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 16 Jun 2026,
  • अपडेटेड 10:49 AM IST
  • রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং আবেদনপত্র বিতরণের উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোতেই শুরু হয়েছে ‘জন কল্যাণ শিবির’।
  • পুরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ শিবির চলবে বুধবার পর্যন্ত।

রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য প্রদান এবং আবেদনপত্র বিতরণের উদ্দেশ্যে সোমবার থেকে কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোতেই শুরু হয়েছে ‘জন কল্যাণ শিবির’। পুরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ শিবির চলবে বুধবার পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য খোলা থাকছে ক্যাম্পগুলি।

পুরসভার আধিকারিকদের মতে, প্রথম দিন থেকেই বিভিন্ন প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহ করতে মানুষের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে ‘আয়ুষ্মান ভারত’ এবং ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’-র কাউন্টারগুলিতে ছিল সবচেয়ে বেশি ভিড়। বহু মানুষ নতুন করে নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি প্রকল্পগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতেও শিবিরে হাজির হন।

আলিপুরের বেলভেডিয়ার রোডে অবস্থিত বরো ৯ কার্যালয়ে দুপুরের মধ্যেই দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়। সেখানে প্রথমে আবেদনকারীদের নাম নথিভুক্ত করা হয়, তারপর নির্দিষ্ট প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহের জন্য আলাদা লাইনে দাঁড়াতে বলা হয়। কেউ কেউ ক্যাম্পেই ফর্ম পূরণ করে জমা দেন, আবার অনেকে ফর্ম বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পরে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তবে প্রথম দিনেই কিছু সমস্যারও মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। সাউদার্ন অ্যাভিনিউ সংলগ্ন বিবেকানন্দ পার্কের ‘উদযাপন’ কমিউনিটি হলে আয়োজিত বরো ৮-এর শিবিরে দুপুরের দিকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারণ, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ প্রকল্পের আবেদনপত্রের মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে পুরসভার আধিকারিকরা জানান, নতুন করে ফর্ম এলেই সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ঘোষণা করা হবে। প্রয়োজনে পুরকর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ফর্ম পৌঁছে দেবেন এবং আবেদনপত্র পূরণে সাহায্য করবেন।

অন্যদিকে, বার্ধক্য ভাতা প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে আসা বহু মানুষও সমস্যায় পড়েন। কারণ, ওই প্রকল্পের ফর্ম সোমবার শিবিরে পৌঁছায়নি। পরে মাইকে ঘোষণা করে জানানো হয়, ফর্ম না আসায় অপেক্ষা করে লাভ নেই।

পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, এই শিবিরগুলিতে রাজ্য সরকারের ১৪টি দফতরের আধিকারিক উপস্থিত রয়েছেন। তাঁরা বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি আবেদন প্রক্রিয়াতেও সহায়তা করছেন।

Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এই ‘জন কল্যাণ শিবির’ অনেকটাই আগের ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির আদলে তৈরি। তবে এবার একটি বড় পরিবর্তন রয়েছে। আগে শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির সুবিধা দেওয়া হতো, আর এখন রাজ্য ও কেন্দ্র, উভয় সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের পরিষেবাই এক ছাতার তলায় পাওয়া যাচ্ছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement