Advertisement

Durga Puja Nonveg Contro: 'আমিও দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাই,' বাগেশ্বরবাবার 'পাষণ্ড' মন্তব্য নিয়ে BJP-র তথাগত কী বলছেন?

ধীরেন্দ্র বলছেন, দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খান, তাঁরা পাষণ্ড। ফলত ননভেজ পরিত্যাগের নিদান দিয়েছেন তিনি। যা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়।

কী বলছেন তথাগত রায়?কী বলছেন তথাগত রায়?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 Sep 2026,
  • अपडेटेड 12:48 PM IST


জন্মাষ্টমী উপলক্ষে লিলুয়ায় তিন দিন ধরে 'হনুমান কথা' পাঠ করতে এসেছিলেন বাগেশ্বরধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী । এবারের বাংলা সফরে এসে  দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বিশেষ বার্তাও দিলেন বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। দুর্গাপুজোর সময় দুর্গা প্রতিমার আশপাশে আমিষ খাবার বিক্রি না করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বাংলার হিন্দুদের নবরাত্রি পালনেরও আহ্বান জানিয়েছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে প্রতিক্রিয় দেখা দিয়েছে।  ধীরেন্দ্র বলছেন, দুর্গাপুজোর সময়ে আমিষ খান, তাঁরা পাষণ্ড। ফলত ননভেজ পরিত্যাগের নিদান দিয়েছেন তিনি।  যা নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথাগত রায়। 

প্রসঙ্গত, ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর বক্তব্য, দুর্গাপুজোর সময়ে দুর্গা প্রতিমার কাছাকাছি কোনওভাবেই আমিষ খাবার বিক্রি করা উচিত নয়। তিনি বলছেন, বাঙালি হিন্দুদের নবরাত্রি পালন করা উচিত। এমনকি বাড়ি বা পাড়ায় দুর্গাপ্রতিমা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব না হলেও, নিয়ম মেনে নিষ্ঠা ও ভক্তির সঙ্গে দেবীর আরাধনা করার বার্তা দিয়েছেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। বাগেশ্বরধামের প্রধানের এই আবেদন ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে আলোচনা। দুর্গাপুজোর ধর্মীয় আচার, খাদ্যাভ্যাস এবং বাঙালির দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ঘিরে তাঁর মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। 

 

পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর আয়োজনকে সম্পূর্ণ নিরামিষ রাখার আবেদন জানালেন বাগেশ্বর ধামের প্রধান পুরোহিত ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তাঁর আবেদন, দুর্গাপুজোর সময় কোনও পুজোমণ্ডপে যেন আমিষ খাবার পরিবেশন বা ভোগ হিসেবে নিবেদন না করা হয়। এই নিয়ে ট্যুইটারে নিজের মতামত রেখেছেন বিজেপি নেত তথাগত রায়। রাজ্যের প্রাক্তন বিজেপি সভাপতির বক্তব্য, 'আধ্যাত্মিক গুরু হিসেবে আমি বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রিকে শ্রদ্ধা করি, কিন্তু তাঁর পরামর্শ আমি মান্য করব কি না—সেটা সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এই বৈচিত্র্যই হিন্দু ধর্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। যাদের বদ্ধমূল ধারণা—বা যারা এমন ইসলামি চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত—যে জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ কোনও ধর্মগ্রন্থ, গুরু বা পীরের নির্দেশেই পরিচালিত হতে হবে, তাদের বিনীতভাবে জানাচ্ছি যে, এমনকি নবরাত্রির সময়ও আমি মাছ-মাংস আহার করি। কেন আমি তা খাই, সে বিষয়ে আমি কাউকে কোনও কৈফিয়ত দেব না। আমি শতভাগ হিন্দু এবং ভবিষ্যতেও তাই থাকব।'

Advertisement

 

তথাগত রায় আরও লিখেছেন, ' হিন্দু-বিদ্বেষীদের মরিয়া ও একগুঁয়ে বোকামি বেশ কৌতূহল জাগাচ্ছে। বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী হয়তো নবরাত্রির সময় আমিষ খাবার খাওয়ার বিরোধিতা করে থাকতে পারেন। আমি তাঁর সঙ্গে একমত নই এবং নবরাত্রির সময় আমিষ খাবার খাইও, তা সত্ত্বেও আমি শতভাগ হিন্দু। হিন্দুত্বে ‘মুনাফিক’ বা অর্ধ-বিশ্বাসী বলে কোনও ধারণার অস্তিত্ব নেই। এই বৈচিত্র্যই হলো হিন্দুত্বের মূল নির্যাস। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীরর প্রতি আমার শ্রদ্ধা থাকতে পারে, কিন্তু তিনি যা বলেছেন তা কোনো ‘ফরমান’ নয় (হিন্দুরা কোনো ফরমান জারি করে না), আর আমি ধীরেন্দ্র ব্রহ্মচারী, মনুসংহিতা কিংবা কুরআন-হাদিস—কাউকেই আমার জীবন নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দিই না।'

Read more!
Advertisement
Advertisement