Advertisement

Shovan-baishakhi: 'বৈশাখীকে সিঁদুর আমিই পরতে বলেছি', রত্নাকে জবাব শোভনের

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিঁদুর পরার কথা তিনিই বলেছেন। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের তোলা প্রশ্নের উত্তরে সাফ জানিয়ে দিলেন শোভন। ‘আমার সুরক্ষাকবচ’ বলে শোভনের ওই ভিডিয়ো বার্তা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বৈশাখী। তুলেছেন পাল্টা প্রশ্নও।

শোভন-বৈশাখী।শোভন-বৈশাখী।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 31 Jan 2023,
  • अपडेटेड 6:58 PM IST
  • বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিঁদুর পরার কথা তিনিই বলেছেন।
  • রত্না চট্টোপাধ্যায়ের তোলা প্রশ্নের উত্তরে সাফ জানিয়ে দিলেন শোভন।

বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সিঁদুর পরার কথা তিনিই বলেছেন। রত্না চট্টোপাধ্যায়ের তোলা প্রশ্নের উত্তরে সাফ জানিয়ে দিলেন শোভন। ‘আমার সুরক্ষাকবচ’ বলে শোভনের ওই ভিডিয়ো বার্তা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন বৈশাখী। তুলেছেন পাল্টা প্রশ্নও।

সোমবার আলিপুর আদালত চত্বরে দাঁড়িয়ে বৈশাখীকে লক্ষ্য করে একের পর এক মন্তব্য করেছিলেন বেহালা পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক রত্না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন সিঁদুর পড়েন বৈশাখী? ওনার তো ডিভোর্স হয়ে গেছে। নিজের মেয়েটাকে কেন বার বার আমার স্বামীর সন্তান বলে সব জায়গায় পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করছেন? তারই জবাব এল আজ, মঙ্গলবার দুপুরে। ১৬ মিনিটের কিছু বেশি সময়ের ওই ভিডিয়োয় রত্নার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন শোভন। পাশে দাঁড়িয়েছেন বৈশাখীর। শোভনকে বলতে শোনা যায়, ‘ফেসবুকে আসতে বাধ্য হলাম কয়েকটি ঘটনার জন্য। ...গতকাল ডক্টর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে আদালত চত্বর থেকে যে ধরনের অঙ্গভঙ্গি করে ভীত সন্ত্রস্ত করার চেষ্টা চলছিল, তা মেনে নেওয়া যায় না।’

শোভনবাবুর এও অভিযোগ, আগের দিন যখন বৈশাখী আদালতে সাক্ষ্য দিতে গিয়েছিলেন তখন লোকলস্কর নিয়ে এসে তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। শোভনের বক্তব্য, তিনি মন্ত্রী বা মেয়র থাকার সময়ে কখনও এসব করেননি। কিন্তু আজ যখন রত্না বিধায়ক তখন তিনি দলের লোক নিয়ে আদালতে যাচ্ছেন।

শোভন চট্টোপাধ্যায় ও রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় সোমবার সাক্ষ্য় দিতে আলিপুর আদালতে গিয়েছিলেন বৈশাখী।  এদিন ফের একবার রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লোকজন নিয়ে ভয় দেখানোর অভিযোগ তোলেন বৈশাখী। পাল্টা বৈশাখীকে ব্য়ক্তিগত আক্রমণ করেন শোভন-পত্নী ও তৃণমূল বিধায়ক রত্না। বৈশাখীর অভিযোগ, তাঁকে দেখে নাকি অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করছে কিছু লোক। তার পাল্টা রত্না বলছেন, ' সিঁদুর কেন পরে বৈশাখী? ওনার তো ডিভোর্স হয়েছে, উনি নিজের সন্তানকে শোভনের সন্তান বলে চালাচ্ছেন কেন ?

৪৬ বছরে এমন অভিজ্ঞতা হয়নি, মন্তব্য শোভনের। এদিকে রত্না বা বৈশাখী উভয়েই চড়া গলার আক্রমণ শানাচ্ছেন। ২০১৭ সালের ১১ নভেম্বর বিবাদ বিচ্ছেদের মামলা করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। ৫ বছরের বেশি সময় ধরে সেই মামলা চলছে।  সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানি।       

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement